প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খেলাপিঋণ সংস্কৃতির গোড়াপত্তন করছেন জিয়াউর রহমান, বলেছেন শেখর দত্ত

নাঈমা জাবীন : রাজনীতিক ও কলাম লেখক শেখর দত্ত বলেছেন, দেশে খেলাপি ঋণ সংস্কৃতি দাঁড়ায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়া ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’ ও ‘রাজনীতি রাজনীতিকদের জন্য ডিফিকাল্ট’ করার নীতি-কৌশল বাস্তবায়ন করার ভেতর দিয়ে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক শাসনের আমলে ‘লুটপাটের অর্থনীতি’ আমদানি হয়েছিলো সরকারি আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়েই। সূত্র : ভোরের কাগজ

এই সংস্কৃতি থেকে বের হওয়া সহজ কাজ নয়। সংস্কৃতি গড়ে ওঠা মানেই তো হলো ঋণগ্রহীতা, ব্যাংকার ও ক্ষমতাভোগীদের মধ্যে ‘নেকসাস’ আর সেসঙ্গে চেইন তৈরি হওয়া। সর্বোপরি টাকা যদি কারো পকেটে যায়, তবে ব্যাংক যায় আটকে, বলির পাঁঠার মতো হয় অবস্থা।

তখন রি-সিডিউল করা, পুনরায় আরো টাকা দেয়া, শ্রেণিকৃত ও অবলোপন করা, মামলা দেয়া, মামলার খরচ জোগান দেয়া, ইঞ্জাঙ্কশন প্রভৃতির চক্করে পড়া ব্যাংকের নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়। এসব কারণেই পুরো আর্থিক ও ব্যাংক ব্যবস্থা আজ ওই  অপসংস্কৃতির রাহুগ্রাসে নিপতিত।

অভিজ্ঞতা থেকে এ কথা বলা যায়, এই কালচারের ভিত্তি গড়ে ওঠার পর থেকে যেসব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করা হয়েছে, তার একটা অংশ যেমন শ্রেণিকৃত ও অবলোপনকৃত হয়েছে, তেমনি কালচার বহাল থাকলে এখন যেসব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করা হচ্ছে, তার একটা অংশও তেমনটাই হবে এবং ‘নেকসাস’ ও চেইন কার্যকর থাকায় আরো বেশি পরিমাণে হবে।

মাঝে মাঝেই ভাবি, যারা আর্থিক ও ব্যাংকের বড় পদে ছিলেন এবং এখন সুশীল সমাজের অংশ হয়ে খেলাপি ঋণ নিয়ে অনেক সমালোচনা করছেন বা উপদেশ দিচ্ছেন, তারা কী ভেবে দেখেছেন, যেসব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করে এসেছিলেন তারা, সেগুলোর অবস্থা কী?

মাঝে মাঝে মনে হয় একটা গবেষণা হওয়া প্রয়োজন, যারা এখন বড় বড় সমালোচনা ও উপদেশ দিচ্ছেন, তারা ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট থাকতে যেসব ঋণ দেয়া হয়েছিলো, সেগুলোর অবস্থা এখন আসলে কী? মনে তো হয় কেঁচো খুঁড়তে সাপই বের হবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত