প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নৌ প্রধানের সাক্ষাত

ইসমাঈল ইমু : নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেভাল কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল শেখ সাঈদ বিন হামদান বিন মুহাম্মদ আল নাইয়ান। বুধবার নৌ ও বিমান সদর দপ্তরে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ও নৌ প্রধান ভাইস এডমিরাল আবু মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতে মিলিত হন। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেভাল কমান্ডার নৌসদরে পৌঁছলে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল এম মকবুল হোসেন তাকে স্বাগত জানান। এসময় নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন। সাক্ষাতকালে নৌবাহিনী প্রধান পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ সফরের জন্য তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। তিনি বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের
সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। দুই দেশের নৌপ্রধান পারষ্পরিক বন্ধুত্বপ‚র্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে মেরিটাইম গবেষণা জোরদারকরণসহ পারষ্পরিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের ডিফেন্স এ্যাটাশে, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডিফেন্স এ্যাটাশে, নৌ সদরের পিএসওবৃন্দ এবং উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেভাল কমান্ডার শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন এবং একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরে তিনি পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।

এদিকে বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে ক্ষাৎকালেও তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময় ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ, অপারেশনাল কার্যক্রম এবং সক্ষমতা সম্পর্কে সম্যক ধারনা প্রদান করা হয়। তিনি বিমান সদরে পরিদর্শন বইয়েও স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নৌবাহিনী কমান্ডার ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলসহ গত ২৯ জানুয়ারি ২ দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত নৌবাহিনী কমান্ডারের এই সফর সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ