প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিএমপি কমিশনার বললেন, হয়রানিমূলক যেকোন কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

ইসমাঈল ইমু : জন-হয়রানিমূলক যেকোন কাজের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি, জনগণের সেবক। জনগণের প্রতি বলপ্রয়োগ, লাঠি ঘোড়ানো ও হুমকি-ধামকি প্রয়োগ আমাদের কাজ নয়। এজন্য সকল পুলিশ সদস্যকে নিয়মিত মোটিভেশন করা হচ্ছে।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯’ উপলক্ষে ডিএমপি আয়োজিত র‌্যালিতে যোগদানের আগে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মহানগরী থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ কঠোরভাবে নির্মূল করা হবে। যারা দুর্নীতি করবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা পুলিশ ও জনমানুষের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। নগরীতে মা-বোনেরা রাস্তায় বের হবে কেউ বিরক্ত করবে না, ব্যবসায়ীদের কাছে কেউ চাঁদা চাইবে না, প্রবাসীরা দেশে ফ্ল্যাট ও জমি কিনবে, সেখানে কোনো দখলের ঘটনা ঘটবে না। নগরীতে অপরাধ কর্মকাণ্ড কমাতে আমরা উন্নত ও আধুনিক পুলিশি ব্যবস্থা তৈরির প্রত্যয়ে এবার কাজ করছি।’

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকাতে স্থানীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত উঠান বৈঠক করছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে পুলিশের একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধের বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে। জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান কমিশনার।

যেকোনো তথ্য দিয়ে নগরীর অপরাধ দমনে পুলিশকে সহায়তা করার আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘মহানগরে কোথাও কোনো মাদকের আখড়া থাকবে না। যদি মাদকের কোনো আখড়া গড়ে ওঠে তবে তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। মাদক ব্যবসায়ী, সেবীসহ মাদকের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে তাদের কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তাদের কোমড়ে দড়ি বেঁধে আইনের আওতায় আনা হবে। যদি কোনো পুলিশ সদস্যও জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কমিশনার বলেন, বিগত দিনে ঢাকা মহানগরীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় অনুষ্ঠানে নগরবাসীর যেরকম সমর্থন দিয়েছেন এবং আমাদেরকে সহযোগিতা করেছেন সেজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

বক্তব্য শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সামনে দিয়ে বেইলী রোড হয়ে শান্তিনগর ক্রসিংয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালীর নেতৃত্ব দেন ডিএমপি কমিশনার। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি’র বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশিং এর সদস্য, সুধীজন ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯’ চলবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

সর্বাধিক পঠিত