প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকায় গ্রেপ্তারকৃত
২ কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ কে কারাহাজতে প্রেরণ

আরএইচ রফিক,বগুড়া : বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ত্রাস, কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, বালুদস্যু এবং হত্যা সহ হাফ ডজন মামলার আসামী সাদ্দাম ও সবুজকে সুনির্দিষ্ট মামলায় কারাহাজতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার স্থানীয় নারুলী পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হল শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার আব্দুল হান্নানের পুত্র এবং সবুজ ব্যাপারী একই এলাকার আরজু ব্যাপারীর ছেলে ।

পুলিশের একটি দায়িত্বশীল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় , শহরের বিতর্কিত এলাকা উত্তরচেলোপাড়া এলাকা ত্রাস হিসাবে চিহ্নিত সাদ্দাম ও সবুজ দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল । জেন তেন অপরাধ নেই যে, তারা জরিত ছিলনা । পকেট মার ও টানা পার্টির সর্দার হিসাবে বিগত কয়েক বছর আগে এলাকায় তাদের হাতে খড়ি উঠলেও কালের বির্বতনের সাথে সাথে তাদের অপরাধের পরিধি বিস্তার লাভ করেছে ।

ছোট খাট চাঁদাবাজি এক সময় বড় আকার নেয়। বাড়ি নির্মাণ, বিয়ে , মুখে ভাত খৎনা এমনকি পিকনিকের জন্য তাদের চাঁদা না দিলে তাদের কপালে খারাবি নেমে আসতো । একটি প্রভাবশালী মহলের চত্র ছায়ায় থাকা আটক যুগল জমি দখল চাঁদাবাজি এবং বালু দস্যুতার এক পর্যায়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে । তাদের অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ জিম্মি অবস্থায় দিনাতিপাত করতে বাধ্য হচ্ছিল ।

এমনি এক ঘটনায় উত্তর চেলোপাড়া এলাকায় বাড়ি নির্মাণে চাঁদা দাবী করায় চাঁদা দিতে অপারাগতা দেখালে এলাকার কুখ্যাত পকেটমার ও টানা পার্টি পরিবারের সদস্য সবুজ এবং সাদ্দাম একই এলাকার সামছু হাজীর ছেলে নবীন ও সুমনের নিকট ২ লক্ষ টাকা দাবি করে আসছিল । টাকা না পেয়ে সোমবার দুপুরে তারা ওই নির্মাণধীন বাড়ীর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। তাদের দাবিকৃত টাকা না দিলে বাড়ি নির্মান তো দূরের কথা এলাকা থেকেও তাদের বিতারিত করা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায় । পরে ঘটনা জানতে পেরে স্থানীয় পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম ও সবুজকে গ্রেপ্তার করে । এ ঘটনায় সামছু হাজীর ছেলেদের পক্ষে থানায় আটক দু’জনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয় ।

এদিকে ঘটনার পর মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সবুজ ও সাদ্দামের বেশ কয়েকজন পকেটমার সহযোগী বাদীর বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাংচুর ও লুট পাটের চেষ্টা চালালে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে । এসময় তারা সমবেত ভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিতে পুলিশ এলাকায় আবারো চিড়ুনি অভিযান চালায় । পুলিশের তৎপরতায় পকেটমারও সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায় ।

সর্বাধিক পঠিত