প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডাকসু নিয়ে আজ সিন্ডিকেট মিটিং
নারী শিক্ষার্থীদের আলাদা প্যানেল অনুমোদন ও মৌলবাদী সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধ হতে পারে

জিয়াউদ্দিন রাজু: ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট মিটিং হবে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নারী শিক্ষার্থীদের প্যানেল আইনগত বাধ্যবাধকতা দেওয়া ও একই সাথে গঠনতন্ত্রে স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদী ও ধর্মীয় রাজনৈতির সাথে সম্পৃক্ত ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি গঠনতন্ত্রে নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

গঠনতন্ত্র সংশোধনী ও পরিমার্জন বিষয়ক কমিটির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ডাকসু নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের বয়স ৩০ হতে হবে। তবে নিয়মিত ছাত্ররাই নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এবং যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে এসে মাস্টার্স বা এমফিল করছেন তারা শুধু ভোটার হতে পারবেন। এ ছাড়া ডাকসু নির্বাচনের ঐতিহ্য অনুযায়ী ডাকসুর ভোটকেন্দ্রগুলো প্রতিটি হলে করার প্রস্তাব করেছে কমিটি। তবে ছাত্রলীগ ছাড়া অধিকাংশ সংগঠন ডাকসুর ভোটকেন্দ্র হলের বাইরে করার প্রস্তাব করেছিলেন।

ডাকসুর প্রার্থী ও ভোটার হওয়ার বয়স এবং হলগুলোতে ভোটকেন্দ্র করার প্রস্তাবের বিষয়ে ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তারা জানিয়েছে কমিটির প্রস্তুাব কোনো চ‚ড়ান্ত বিষয় নয় সিন্ডিকেট সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটি ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ডাকসু নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিলে পড়ার যোগ্যতা লাগবে। প্রার্থী ও ভোটারদের বয়সসীমা ৩০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক করতে হবে।

বিষটি নিশ্চিত করে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিলে অধ্যয়নরতদের কথা বলেছি। তাদের বয়সসীমা ৩০ করার একটি প্রস্তাব করেছি। তিনি আরও বলেন, গঠনতন্ত্রে মৌলিক কোনো পরিবর্তনের এখতিয়ার আমাদের নেই। আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে কিছু বিষয়ে কেবল সুপারিশ করেছি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

এদিকে, ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো আচরণবিধিও প্রণয়ন শেষ করেছে সাত সদস্যের আচরণবিধি প্রণয়ন কমিটি। ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে তারা কয়েক দফা বসে একটি খসড়া আচরণবিধি তৈরি করে। পরে সেই আচরণবিধি আবার ছাত্রসংগঠগুলোর কাছে সংশোধনী জন্য পাঠানো হয়। ছাত্রসংগঠনগুলো তাদের সংশোধনী গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে পাঠান। প্রক্টর সেগুলো আচরণবিধি প্রণয়ন কমিটির কাছে পাঠিয়েছেন। এই আচরণ বিধিও চ’ড়ান্ত করার জন্য আজ সন্ধায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে উঠবে। সম্পাদনা : শাহানুজ্জামান টিটু

সর্বাধিক পঠিত