প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুরু হচ্ছে বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি, স্বর্ণালঙ্কার তৈরির কারখানা গড়ে তোলার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের

মারুফুল আলম : ভরিপ্রতি হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে স্বর্ণ আমদানি। তবে বৈধভাবে আমাদানি শুরু হলেও চোরাচালান বন্ধ হবে এমন নিশ্চয়তা নেই বলেছেন এনবিআর কর্মকর্তারা। তাই শুধুই আমাদানিতে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশে রপ্তানিমুখী স্বর্ণালঙ্কার তৈরির কারখানা গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। সূত্র: ডিবিসি নিউজ।

দেশে এখন প্রতিবছর স্বর্ণের চাহিদা প্রায় ২০ থেকে ৪০ টন। যার মাত্র ১০ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় ট্রেজারি স্বর্ণের মাধ্যমে। কিন্তু বাকি অংশ পূরণে বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানির কোনো সুযোগ ছিলো না। কিন্তু সদ্যপ্রণীতি স্বর্ণনীতিমালার কারণে দেশে বসেই শুল্ক দিয়ে বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ পেলেন ব্যবসায়ীরা। খুব শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার স্বর্ণ আমদানি করবে।

কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর কমিশনার ড. মঈনুল খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত দুই জন ডিলার বা একাধিক ডিলার অথবা ব্যক্তি পর্যায়ে যাদের বন্ড লাইসেন্স দেয়া হবে, তারা বিনা শুল্কে স্বর্ণ আনতে পারবেন। আনার পরে স্থানীয়ভাবে স্বর্ণের ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধ করে স্বর্ণটা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে আইনে কিছু পরিবর্তনের দরকার এবং পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে বললেন ড. মঈনুল। আইনের পরিবর্তন হলে বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানী সহসাই দেখা যাবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

আমদানী নয়, গড়ে তুলতে হবে রপ্তানীমুখী অলংকার শিল্প। ওদিকে অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, মেটালের এ রকম কোনো ইন্ডাস্ট্রি আমরা করতে পারিনি। তিনি বলেন, মূল্যবান ধাতুর ওপর যে কর ব্যবস্থাপনা এবং সেটির যে প্রশাসনিক কার্যক্রম তাতে আমরা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। তবে নির্ধারিত ডিলার ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতে ঝুঁকি দেখছেন শুল্ক কর্মকর্তারা।
ড. মঈনুল খান বলেন, চোরাচালান যে, বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ তা নয়। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক চোরাচালান জড়িত। শুধুমাত্র শুল্ককর ফাঁকি দেয়ার জন্যই আনা হচ্ছে না। এতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যে বিভিন্ন রকম পেমেন্ট আছে, সে পেমেন্টের মাধ্যমেই স্বর্ণটা ব্যবহার করার সুযোগ হচ্ছে।

গ্যাজেট প্রকাশের প্রথম বছরে স্বর্ণে ভরিপ্রতি শুল্ক লাগবে হাজার খানেক। পরের বছর থেকে এ শুল্ক হবে দুই হাজার।
এ শুল্ক এক হাজার টাকা থাকাটাই ভালো হবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এটি কম হলে পরে সরকারিভাবে কিছু স্বর্ণ আসবে। বেশি স্বর্ণ যদি ভারতের দিকে কিছু অংশ চলে যায়, সেটি একটি স্পর্শকাতর বিষয় হবে বলে মন্তব্য করেন এই অর্থনীতিবিদ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত