প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডাকসু নির্বাচনে প্রচারণা চালাতে ক্যাম্পাসে যেতে পারছে না ছাত্রদল

সমীরণ রায়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) নির্বাচন আগামী ১১মার্চ। দেশের রাজনীতিতে মেধাবীদের নেতৃত্বে আনতে প্রায় তিন দশক ধরেই ডাকসু নির্বাচনের দাবি ছিল শিক্ষার্থীদের। তবে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস উৎসব মূখর পরিবেশের বিরাজ করছে। এরই পেক্ষিতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগসহ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ এবং বাম দলের ছাত্র সংগঠন প্রগতিশীল ছাত্রজোট সহাবস্থান রয়েছে। তবে দেশের আরেকটি বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের প্রচারণা নেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির আহবান, বিশেষজ্ঞদের দাবি, উচ্চ আদালতের নির্দেশ ও ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতাদের বিভিন্ন আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে আগামী ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ডাকসুর নির্বাচন। তবে দীর্ঘদিন ছাত্রসংসদ না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড মুখথুব্রে পড়ে। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হল সংসদসহ ঢাবির কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের নির্বাচন প্রতিবছর হওয়ার কথা থাকলেও স্বাধীনতার পর মাত্র সাতবার নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯০ সালের ৬ জুন সবশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে গণতন্ত্র উত্তরণের সঙ্গে ডাকসুর দরজাও বন্ধ হয়ে যায়।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে করেন, তাদের নিজস্ব দাবি দাওয়া সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরতে ডাকসু নির্বাচন খুবই জরুরি ছিল। তবে নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উৎসব মূখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু ক্যাম্পাসে এখনও সব ছাত্রসংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি।

এ সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের অবস্থান পরিস্কার। ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান রয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাবিতে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে আমরা চিহ্নিত করেছি। ছাত্রলীগের অবস্থান থেকে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বেশ কিছু দাবি দাওয়াও তুলে ধরেছি। আর নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল জয়ী হলে চিহ্নিত সমস্যাগুলো নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান বলেন, ছাত্রদল যতবারই বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে গিয়েছে, ততবারই ধাওয়া করেছে ছাত্রলীগ। তাই ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে যেতে চায়। কিন্তু ছাত্রলীগ যে আবার তারা ধাওয়া করবে না, তার নিশ্চয়তা কি? যদিও নির্বাচন কেন্দ্রীক সব ছাত্র সংগঠনের ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। কিন্তু প্রশাসন এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি। যার কারণে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে অবস্থান নিতে পারছে না।
সম্পাদনা: বিশ্বজিৎ দত্ত

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত