প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শফিকুর রহমান বললেন, ব্যাংকিং কার্যক্রমে আরো প্রজ্ঞা ও মেধার পরিচয় দিতে হবে

মারুফুল আলম : এসআইবিএল’র সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে পেশাদারি মনোভাব নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। ব্যবস্থাপনা এবং উদ্যোক্তার মধ্যে সমন্বয় সাধনের পাশাপাশি আরো প্রজ্ঞা ও মেধার পরিচয় দিতে হবে। সোমবার ডিবিসি নিউজ’র টালিখাতা অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে ব্যাংকগুলো একটি শক্ত অবস্থানে চলে যেতে পারে। তবে প্রথম থেকেই বিশেষ করে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে দেখে শুনে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

এক্ষেত্রে প্রথম বছরেই যদি ১ হাজার কোটি টাকা ডিপোজিট নিয়ে ৮০০/৯০০ কোটি টাকা এডভান্স করা হয়, তাহলে সেটি সম্ভব হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এডভান্স বা ঋণ দিতে হলে যাচাই বাছাই করে ঋণগ্রহীতার প্রয়োজন মাফিক ঋণ দেয়া উচিৎ।
পত্রিকার খবর অনুযায়ী নন ব্যাংকিং কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানাতকারীর ছোট অংকের টাকা ফেরৎ দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের জোরালো ভূমিকা রাখা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশে এখন ৫৮টি ব্যাংক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং আরো তিনটি নতুন ব্যাংক চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, অর্থনীতির সাইজ অনুযায়ী বাংলাদেশে ব্যাংক যথেষ্ট রয়েছে। তারপরও যেহেতু নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেহেতু নতুন ব্যাংকগুলো আসবে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে যে সংকট যাচ্ছে এই নতুন তিনটি ব্যাংক সেই সংকট এড়াতে পারবে এটি জোর দিয়ে বলা যায় না।

শফিকুর রহমান বলেন, পৃথিবীতে খেলাপী ঋণ নেই এমন কোনো দেশ নেই। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সেটি ৫% এর মধ্যে রাখতে হবে। আমাদের এখানে কাগজে কলমে ১২-১৩%। সব মিলিয়ে ঋণের পরিমান ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা।
নতুন ব্যাংকের ব্যাপারে তিনি বলেন, ব্যাংক কোম্পানী আইনে সংশোধন এনে ইনিশিয়াল মূলধন ৪০০ কোটি টাকাকে ১ হাজার কোটিতে নিয়ে গেলে ব্যাংকগুলো খারাপ হবে না সহজে। তাহলে ব্যাংকগুলো খারাপ না করার ব্যাপারে সিরিয়াস থাকবে। ব্যাংকার হিসেবে ৬০/৪০ রেশিওতে যদি বিনিয়োগ বা ঋণ দেয়া হয় এবং ৪০% ব্যাংকের হলে, সেখানে ব্যাংকের চেয়েও নজরদারিটা বেশি থাকবে। তাই এটা চিন্তা করা যেতে পারে যে, ১ হাজার কোটি না হলেও ৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে দেওয়া যায় কি না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত