শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার জায়নবাদী শাসনের চোখ অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে: দাবি ইরানের ◈ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের মুদ্রার রেট: ৫ মার্চ ২০২৬ ◈ ইমাম খামেনেয়ীর নেতৃত্ব ইরানকে একটি শক্তিশালী মার্কিন বিরোধীতায় পরিণত করেছেন: রয়টার্স ◈ পবিত্র ঈদুল ফিতরে ছুটি আরও একদিন বাড়িয়েছে সরকার ◈ যুদ্ধ ছড়িয়েছে ১৫ দেশে, অস্থির পুরো বিশ্ব ◈ যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই খাদ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় তেহরানের বাসিন্দারা ◈ রাজনীতিতে বড় ইস্যু হয়ে উঠতে যাচ্ছে জুলাই সনদ ◈ পার‌লো না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ১০ জনের নিউক্যাসলের বিপক্ষে হেরেই গেলো ◈ পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচ হ‌চ্ছেন সরফরাজ আহ‌মেদ ◈ ইরানে ‘সিরিয়া কৌশল’ প্রয়োগ, গৃহযুদ্ধ বাধানোর ছক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রংপুরের পুকুরে পাকিস্তানি রকেট লঞ্চার

জাগো নিউজ : রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সেভেনটি ফাইভ মিলিমিটার রকেট লঞ্চার উদ্ধার করেছে পুলিশ ও র‌্যাব।

রোববার বিকেলে উপজেলার জায়গিরহাটের একটি শুকনা পুকুরে গর্ত খোঁড়ার সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি র্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ ইউনিট নিষ্ক্রিয় করে।

র্যাব ১৩-এর রংপুরের সিপিএসসি কমান্ডার (অ্যাডিশনাল এসপি) মোতাহার হোসেন বলেন, মিঠাপুকুরের লতিবপুর ইউনিয়নের জায়গিরহাট নিশ্চিন্তপুর আলোয়াপাড়ার মকবুল হোসেনের শুকনা পুকুর খোঁড়ার সময় দুই যুবক রকেট লঞ্চারটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। বিকেল ৫টায় র্যাবের একটি বোমা স্কোয়াড টিম রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে ঘটনাস্থল থেকে দেড় মাইল দূরে গিয়ে একটি ফাঁকা জমিতে নিষ্ক্রিয় করে।

র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, রকেট লঞ্চারটি সেভেনটি ফাইভ মিলিমিটার। এটি এখন আর ব্যবহৃত হয় না। মূলত পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের সময় অস্ত্রে লোড করে এটি ব্যবহার করতো বাঙালিদের ওপর। রকেট লঞ্চারটির ওজন ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম।

র্যাব-১৩-এর বোমা স্কোয়াড সেলের সদস্য সার্জেন্ট হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল থেকে রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে ফাঁকা জমিতে নিয়ে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করি।

মিঠাপুকুর থানা পুলিশের এসআই ফজলুল হক বলেন, ৯০-এর দশকে ওই স্থানে একটি মুক্তিযুদ্ধকালীন ট্যাংক পাওয়া গিয়েছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহার করার জন্য এসব অস্ত্র সেখানে এনেছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় রাসেল মিয়া বলেন, দুপুরে শুকনা পুকুরটিতে খেলছিল এলাকার ছেলেরা। সেখানের পাশেই একটি গর্ত করে মাটি নিয়ে যাচ্ছিল পাশের বাড়ির সেফাউল ইসলামের ছেলে সেতু ও গোলজার দামু মিয়ার বাক প্রতিবন্ধী রাশেদুল ইসলাম। কিছু মাটি গর্ত করার পরপরই বোমাসদৃশ বস্তুটি দেখতে পায় তারা। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি বিষয়টি মিঠাপুকুর থানা পুলিশকে জানান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়