প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ না করার অনুরোধ জোনায়েদ সাকীর

মারুফুল আলম : গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, জনগণের দৃষ্টিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিজেদের সম্মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না। শনিবার ডিবিসি নিউজ’র টকশোতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, একটি রাষ্ট্র রাজনৈতিক জনগোষ্ঠির ঐক্যের জায়গা। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠির দ্ব›দ্ব-বিরোধকে মীমাংসার মধ্যে রেখে একত্রিত করে রাখে রাষ্ট্র। ঐ জায়গাটায় রাষ্ট্র যখন নিজের আইনী ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, জনগণের ঐক্যের জায়গায় ফাটল ধরে। এই ফাটলে ইতিমধ্যেই যে বিভাজিত বাংলাদেশ সেখানে আরো বেশি ঘি ঢালা হবে, যদি নির্বাচনটা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য না হয়।

তিনি বলেন, সরকার আসবে-যাবে, কিন্তু প্রজাতন্ত্র ভিন্ন ব্যাপার। পাবলিক সরকার দ্বারা পরিচালিত হলেও তাদেরকে আইনগত নির্দেশনা দিয়ে ব্যবহার করা যাবে, বে-আইনি নির্দেশনায় তাদেরকে পরিচালিত করা যাবে না। বিষয়টি প্রজতন্ত্রের কর্মকর্তাদের অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত। এক্ষেত্রে পুলিশবাহিনী, সামরিকবাহিনী বা আমলাতন্ত্র এমনকি মিডিয়ার দৃষ্টিও প্রজাতন্ত্রের দিকেই রাখা উচিত বলে মনে করেন জোনায়েদ সাকি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, কিছু ত্রæটি স্বাভাবিকভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা হয় এমন দেশগুলোতেও থাকে। বাংলাদেশে হয়তো আরো কিছু বেশি থাকবে, এমনটিই ভেবেছিলাম। আশা করেছিলাম, অন্তত প্রার্থীরা প্রচারকার্য চালাতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে গ্রেফতার, হামলা, প্রচারক্ষেত্রে বাধাসহ বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন করা হচ্ছে।

ই-মেইল, ফেসবুক একাউন্ট ও সংগঠনের পেজও হ্যাক করা হয়েছে এবং শুক্রবার রাতে তাদের অফিসও ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে অভিযোগ করেন সাকি। তিনি বলেন, এর আগে মগবাজারে অফিস করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হুমকি দিয়েছে। শেষপর্যন্ত বাড়িওয়ালা জবাব দিয়ে বললোÑভাইয়া, বিপদে পড়তে চাই না। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত আল আমিনকে কাওরান বাজারে পোস্টার লাগাতে গেলে মারধর করা হয়েছিলো। এরপর থেকে প্রতিদিন পোস্টার লাগাতে গেলে ধাওয়া খাই। এদিক থেকে সরে ওদিকে গিয়ে পোস্টার লাগাই। পরের দিন দেখি পোস্টারগুলো ছিঁড়ে স্তুপ হয়ে আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলাম, আপনার নাম ভাঙিয়ে বলা হচ্ছে, এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা। এখানে কারো পোস্টার থাকবে না। এটা হতে পারে না যে, এটা আপনার বক্তব্য। তাদেরকে আপনি থামান। কিন্তু এখনো পোস্টার ছেড়া বন্ধ হয়নি। তিনি বলেন, প্রতিমুহূর্তে বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। প্রচারের মাইক পর্যন্ত ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। ভয়ংকর একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। পোলিং এজেন্টরাও ভয়ের মধ্যে আছে। অথচ আমাদের শ্লোগানই ছিলোÑভয়মুক্ত বাংলাদেশ গড়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত