প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিরোধী প্রার্থীদের পোস্টার ছাপাতে নিষেধাজ্ঞা ?

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চু: নির্বাচনের এক সপ্তাহ বাকী থাকলেও ছাপাখানা গুলোতে নেই তেমন কর্মজজ্ঞতা। তাই অলস সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা। রয়েছে এক ধরনের অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞা। কিছু প্রতীকের পোস্টার ছাপার কাজ চোখে পড়লেও, পড়েনি বিরোধী প্রার্থীদের পোস্টার।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর হচ্ছে ভোট। ইতিমধ্যে প্রতীক সম্বলিত পোস্টার ব্যানার টানিয়ে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। কিন্তু সতন্ত্রপ্রার্থী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের ছাড়া কোনা পোষ্টার ছাপা হচ্ছে না ছাপাখানায়। তবে সরকার দলের প্রার্থীদের পোস্টার অনেক আগেই ছাপানো শেষ হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাপাখানা মালিক জানান, প্রত্যেক নির্বাচনে আমরা নিজেদের মত কাজ করতে পারলেও এবার তা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হিসেবে কিছু বলতে নারাজ।

রাজধানীর বাংলাবাজারের এক প্রেস মালিক বলেন, এবার পোস্টার ছাপানো নিষেধ। উর্ধতন কতৃপক্ষের নাকি নিষেধ আছে। প্রত্যেক দিন প্রশাসনের লোকজন ডিউটি করছে।

আরামবাগ গ্রাজুয়েট ছাপাখানার কর্মচারী আনোয়ার বলেন, এবার আশায় ছিলাম নির্বাচনে বেশ কিছু কাজ পাব। বর্তমানে তেমন কোন কাজ না থাকায় বসে আছি। কোন ধরেনের নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, এ বিষয় মালিক বলতে পারবেন। তবে শুনেছি প্রেসের তালিকা করে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা।

নীলক্ষেত গাউসুল আজম মার্কেটের কয়েকজন প্রেস কর্মচারী বলেন, এবার নির্বাচনের কোন কাজ পাইনি। কোন প্রার্থীও আসেনি পোস্টার ছাপানোর কাজে। তবে শুনেছি এক প্রেসে ধানের শীষের কিছু পোস্টার ছাপানোর কারনে তার দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় রাজধানীর, নীলক্ষে, পুরান ঢাকার বাংলাবাজার, ফকিরাপুল, আরামবাগ রয়েছে ছাপাখান গুলো। বছরের শেষ সময় এসে বিভিন্ন সরকারী বেসকারী প্রতিষ্ঠানের ডাইরি, ক্যালেন্ডার, বিভিন্ন ফরম ছাপার কাজ চলছে হাতেগোনা কিছু ছাপাখান বাদে। সেগুলোতে হাত পাখা, নৌকা, ট্রাক, আম, কাস্তেসহ বিভিন্ন প্রতিকের ছাপানোর কাজ চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফকিরাপুলের আওয়ামী লীগের ওয়ার্ডে এক নেতা ও ছাপাখানার মালিক জানান, সরকার যে পরিমান কাজ করেছে তাতে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে। কিন্তু এমন নির্বাচন আমরা চাই না। কিছু অতি উৎসাহী লোক এ কাজগুলো করছে। আর এজন্য রাজনীতিতে একটি খারাপ দৃষ্টান্ত তৈরি হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত