প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যেনতেন নির্বাচন সংকট আরো গভীর করবে : জিল্লুর রহমান

উল্লাস মূর্তজা : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, যেনতেন নির্বাচন সংকট আরো গভীর করবে। ভোটারদের আগ্রহ হারিয়ে যাবে। সরকার নৈতিকতার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য অর্থবহ নির্বাচনে জবাবদিহিতামূলক শাসন ব্যবস্থা জোরদার হয়। এটা মানুষের ইচ্ছা। এখন মুখ্য বিষয় হচ্ছে হয়ে দাঁড়িয়েছে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন কি-না। বাস্তবতা দেখা দিয়েছে এখন একপেশে মাঠ।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল অনুপস্থিত। গায়েবি মামলা অব্যাহত রয়েছে। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষণের সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বাস্তবতার নিরিখে উদ্বেগের বিষয় তৈরি হয়েছে। হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এখন রাজনৈতিক প্রচারণা রাজনৈতিক শক্তি-সক্ষমতা প্রদর্শনের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে দলীয় সমর্থন প্রদর্শনের বিষয় নয়।

অন্ধ দলীয় সমর্থন করার মধ্যে একটা পার্থক্য থাকা উচিত। বাংলাদেশে বৃহৎ দু’দলের সমর্থন আছে। অন্ধ সমর্থন দেশে ১০ থেকে ১৫ ভাগ। ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দেশ দুটি শিবিরে বিভক্ত। এটা সঠিক নয়, অসত্য কথা। এর বাইরেও একটি শীর্ষ গ্রুপ আছে দেশে। জবাবদিহির ব্যবস্থা তৈরি করে তারা।

সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, সার্বিকভাবে মানুষ ঐক্যবদ্ধ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে মিডিয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে আছে। পেশাগত মর্যাদা যাই দেখছি, সঠিকভাবে উপস্থাপন করছে মিডিয়া। ভোটাররা কেন্দ্রে নির্ভয়ে যেতে পারবে কিনা তা গণমাধ্যম তুলে ধরবে। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবেন কিনা, এ বিষয়ে গণমাধ্যমের একটা বড়ধরনের দায়িত্ব আছে। উদ্বেগ এবং আশা মাথায় নিয়ে গণমাধ্যম একটা ভূমিকা রাখবে আশা করি।

২০১৮ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেনতেন নির্বাচন যেন না হয়। আইনি বৈধতার নির্বাচন যেন না হয়, পরবর্তী সরকারের নৈতিক বৈধতা যদি তৈরি না হয় তাহলে কিন্তু সংকট আরো গভীর হবে। তাই নির্বাচনে কে নির্বাচিত হবে সেটা ভোটারদের ওপরই আমরা ছেড়ে দেই। সূত্র : সাউথ এশিয়ান মনিটর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত