প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

She dead before born

আমান-উদ-দৌলা, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, নিরীক্ষা জার্নাল: আমার মনে হলো। আমাদের সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনায়। নির্বাচন দেখতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলকে এলাও করছে না। (গতকালের খবর) তার কারণ নির্বাচনে আসতে দিলেও নেগেটিভ । না আসতে দিলেও নেগেটিভ। (সরকার সমালোচিত হতে পারেন-সেই অর্থে নেগেটিভ ) So, She dead before born.

বিষয়টা এইরকম।

যুক্তরাষ্ট্র ‘হতাশ’ হয়েছে। নির্বাচনে আসতে পারছে না তাদের আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে।নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ছাড়পত্র ও ভিসা প্রদান করতে ব্যর্থ হওয়ায়। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি হতাশা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে নির্বাচনে বাংলাদেশ সফর বাতিলও করেছেন তারা।
গতকাল শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মুখপাত্র রবার্ট পাল্লাদিনো। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের বাংলাদেশে আসতে না পারায় এ হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সরকারের এমন আচরণের ফলে ব্যাংককভিত্তিক আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা।‘দ্য এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশন (এনফ্রেল)’ তাদের আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাতিল করে দিতে বাধ্য হয়েছে।’

ওয়াশিংটনভিত্তিক ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউটের (এনডিআই) এর মাধ্যমে এনফ্রেলকে অর্থায়ন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মিশনের অভাবের ফলে সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো স্থানীয় এনজিওগুলোর মাধ্যমে একটি নির্বাচনী ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা। এর মধ্যে ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে পরিচালিত এনজিওগুলোকেও রাখতে হবে, যাতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তারা পরিচালনা করতে পারে।

‘যেকোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য শান্তিপূর্ণ মতামত প্রদান ও সমাবেশ করার সুযোগ থাকতে হবে। স্বাধীন গণমাধ্যমকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে দিতে হবে। প্রার্থীদের তথ্য জানার অধিকার আছে এবং কোনো ধরনের ভয়, হয়রানি ও সহিংসতা ছাড়াই তারা যেনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।

বিজ্ঞপ্তির শেষে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক বাংলাদেশি যাতে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারেন, সে ব্যাপারে তাদের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারকে যথাযথভাবে পালনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আমরা উৎসাহিত করছি।’

সরকারের জন্য ভালই হলো। নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে না।

তবে খারাপ হোলো। বিদেশী পর্যবেক্ষক না ঢুকতে দিয়ে। এই নির্বাচনটা ক্রেডিবল হতে পারতো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত