প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনে সবাইকে সভা সমাবেশের স্বাধীনতা দেয়ার আহ্বান

যুগান্তর : যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, এ দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হতে হবে। সব রাজনৈতিক দলকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার স্বাধীনতা দিতে হবে। শক্তিশালী গণতন্ত্রের চর্চা নির্বাচনের দিনও অব্যাহত রাখতে হবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা না করতে সব দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিলার বলেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশা করছি। এ জন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। সংঘাত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে শনিবার বিকালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসবের সমাপনী পর্বের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনজিও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) যৌথভাবে এ বিতর্কের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মিলার বলেন, গণতন্ত্রের সাফল্য হল সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ। আমি সবাইকে আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে চাই।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত তরুণদের উদ্দেশে বলেন, তোমরাই জাতির আশা। পুরো পৃথিবীই এখন তরুণদের ওপর নির্ভর করে। তোমরাই পারবে পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে। পরিবর্তনের জন্য সংখ্যা কোনো বিষয় না। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, সহিষ্ণুতা, দয়া প্রদর্শন করে এগিয়ে যাও, আঘাত করে নয়। তোমাদের গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতা ৩০ ডিসেম্বর উদ্যাপন কর।

বিতর্ক উৎসবে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কে অংশ নেয়। বিতর্কে ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত মোট ১৬টি দল অংশ নেয়। চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজ। এতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি বিজয়ী হয়।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি এসএম রাকিব সিরাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আসাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরিন।

প্রসঙ্গত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৬ মাস ধরে ‘শান্তিতে বিজয়’ কর্মসূচি পালন করছে। তারা বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত