প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানুষ খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করতেই পারে- যুদ্ধের সময় ক্যান্টনমেন্টে কেন ছিলেন : সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত

জুয়েল খান : ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান পরাজিত হয়, পাকিস্তান সেই পরাজয়ের গ্লানি এখনো ভুলতে পারেনি। সেই কারণেই তারা বাংলাদেশে তাদের বন্ধু-বান্ধব খোঁজে। সেদিন যারা রাজাকার, আলবদর যুদ্ধাপরাধী আজ তারা সবাই জামায়াতে ইসলামী হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন ভারতের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের সময় অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ভারত চায় বাংলাদেশে যাতে হিন্দু মুসলিম সংঘাত না হয়। হিন্দু-মুসলিম ভাই হিসেবে থাকুক।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বামী জিয়াউর রহমান যখন যুদ্ধের সময় ভারতে আমার অফিসে এসেছিলেন তখন জিয়াউর রহমানকে প্রশ্ন করেছিলাম আপনার সহধর্মিনী আসেননি? তখন জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানিদের সাথে আছে। খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সাথে ছিলো না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষ খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারে। খালেদা জিয়া একটা কথা বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ করেন নি, তিনি পাইপ মুখে দিয়ে পাকিস্তানিদের সাথে চলে গেছেন, পাকিস্তানে ছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানিরা আটকে রেখেছিলো পাকিস্তানে, মানুষ সেটা জানে এবং বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষ শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছে। খালেদা জিয়া যদি মুক্তিযুদ্ধ করতেন তাহলে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এই ধরনের একটা কথা বলতে পারতেন না। তাই মানুষ খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করতেই পারেন তিনি কেনো পাকিস্তানিদের সাথে ক্যান্টনমেন্টে বসে ছিলেন। কিংবা যুদ্ধের সময় তিনি কী করেছেন?

ভারতীয় সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন, জামায়াতে ইসলামীর একটা বড় অংশ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তাই বেশি উদ্বিগ্ন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর অনেক লোক স্থায়ী হয়েছে। তাদের অনেকেই ভারতে বাড়ি কিনছে, পাকিস্তানের সাথে যোগাযোগ রাখছে, দুবাই যাচ্ছে- সরকার সেটা জানে। তারা ভারতের আদার কার্ড, প্যান কার্ডসহ সকল সুবিধা পাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা তারা পশ্চিমবঙ্গে ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করছে এবং সরকারকে আর্থিকভাবে সমর্থন দিচ্ছে, তাই সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এরা আর্থিকভাবে বেশ শক্তিশালী।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত