প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্মিথের স্বীকারোক্তি, আমার ঘরেই টেম্পারিং পরিকল্পনা হয়েছিল

স্পোর্টস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের কালো অধ্যায়ের নাম বল টেম্পারিং। যা মূল খলনায়ক ছিলেন স্বয়ং দলনায়ক ও তার সহকারী। সেই বল টেম্পারিং ইস্যু নিয়ে খোলামেলা আলাপ করলেন স্টিভেন স্মিথ। তার বক্তব্যে বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বীকারোক্তি আগে দিলেও কখনো সব ঞটনা ভুলে বলেননি। গতকাল সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেছেন পুরো ঘটনা। আশ্চর্যের বিষয় হলো- টিম হোটেলে তার ঘরেই এই ন্যক্কারজনক কাজের পরিকল্পনা হয়। এটাও অস্বীকার করেননি যে তিনি চাইলেই থামাতে পারতেন বল টেম্পারিংয়ের লজ্জা।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আনুষ্ঠানিক এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বল টেম্পারিং নিয়ে কথা বলেন স্মিথ। তিনি জানান, ‘বল টেম্পারিংয়ের পরিকল্পনা আমার রুমেই হয়েছিল। ইচ্ছা করলেই আমি এই খারাপ কাজটি থামাতে পারতেন। কিন্তু কেন পারলাম না, জানি না। আমি ব্যর্থ হয়েছি। তাই এমন কুৎসিত কাজের পুরো দায় আমার কাঁধেই নিয়েছি।’

গত মার্চে নিষিদ্ধ হবার পর বল টেম্পারিং এর আসল ঘটনাটি খোলাসা করেননি স্মিথ-ওয়ার্নার বা বেনক্রাফট। যতবারই সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন, ততবারই নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বল টেম্পারিংয়ের নয় মাস পর ঐ ঘটনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন স্মিথ।

স্মিথ বলেন, ‘আমি পরিকল্পনাটা দেখেছি এবং বুঝেছিলামও যে কি হতে যাচ্ছে। কারণ পরিকল্পনাটি আমার রুমেই হয়েছে। আমার ভুল ছিল, যে আমি তা দেখেও তাদের থামাইনি। তখন যদি আমি তাদের এসব করা থেকে বিরত রাখতাম, তাহলে হয়তো ঘটনাটি অন্যরকমও হতে পারতো। চাইলেই আমি পরিকল্পনা থামাতে পারতাম, কিন্তু করিনি। এটাই আমার ব্যর্থতা ছিল।’

ওই ঘটনার জন্য শাস্তি পাওয়ার পর কঠিন সময় পার করেছেন বলে জানান স্মিথ। তবে খারাপ সময়ে প্রিয় মানুষের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। যা নিজেকে শক্ত থাকতে বড় কাজে দিয়েছে বলে জানান স্মিথ, ‘ওই ঘটনার পর অনেক কঠিন সময় গিয়েছে আমার। অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়টাতে বিছানা থেকে উঠতেই ইচ্ছে করত না আমার। তবে আমি ভাগ্যবান যে, খারাপ সময়ে প্রিয় মানুষদের আমি পাশে পেয়েছি। যারা আমাকে সহায়তা করেছে এবং ভেঙে পড়তে দেয়নি। তারা বুঝিয়েছে যা হয়েছে, হয়ে গেছে। আর এখানেই সব শেষ হয়ে যায়নি। আমাকে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।’

প্রিয় মানুষগুলোর সাপোর্ট পেয়ে আবারো সঠিক পথে ফিরে এসেছেন স্মিথ। এমনটা জানাতে ভুল করেননি তিনি, ‘আমি এখন মানসিকভাবে শক্ত আছি। দক্ষিণ আফ্রিকায় বল টেম্পারিংয়ের ঐ ঘটনার পর অনেক ভেঙে পড়েছিলাম। তবে এখন আর ওইসব সমস্যা আমার মধ্যে নেই। আমি সব কাটিয়ে উঠেছি। সেসব কাটিয়ে আমি এখন ঠিক আছি, সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছি।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত