প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দিনাজপুরে প্রচারণায় জামায়াতের পাশে নেই বিএনপি

মারুফুল আলম : দিনাজপুর ১ ও ৬ আসনে বিএনপি-প্রার্থীকে মনোনয়ন না দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে জামায়াতকে মনোনয়ন দেয়াতে চরম অসন্তোষ ও ক্ষুব্ধ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীরা। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ থাকলেও ওই এলাকায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জামায়াত-প্রার্থীর প্রচারণায় মাঠে নেই। সূত্র- ডিবিসি

পৌর বিএনপি বীরগঞ্জ উপজেলার সভাপতি আমিরুল বাহার বলেন, ধানের শীষের মালিক হলেন খালেদা জিয়া। সেখানে আজকে ধানের শীষের পোস্টারে খালেদা জিয়ার ছবি নেই। এটি অত্যন্ত দু:খজনক। আমাদের এখানে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচন্ড হতাশ।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান মিন্টু বলেন, দু:খের বিষয়, আমাদের ভালো অবস্থা থাকার পরও মনোনয়ন দেয়া হলো জামায়াতকে। ফলে আমাদের তৃণমূল নেতাকর্মীদের চোখে পানি। তাদের দু:খ ও মনোকষ্ট না দেখলে বোঝা যাবে না।

দিনাজপুর-১ আসনে জামায়াত-প্রার্থী মোহাম্মদ হানিফের পোস্টার দেখা গেলেও নির্বাচনী প্রচারে মাঠে দেখা মেলেনি জামায়াত নেতাকে। জামায়াতের নির্বাচনী অফিস থাকলেও সেখানে নেই কর্মীদের উপস্থিতি। বীরগঞ্জ ও বাহারুল নিয়ে গঠিত এ আসনটি। এখানে ১৯৯১ থেকে সবগুলো নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে কিন্তু ২০০১ সালে জামায়াত-প্রার্থী বিজয়ী হয়েছিলো।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ-প্রার্থী মনোরঞ্জনশীল গোপাল নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। মনোরঞ্জণশীল গোপাল বলেন, যাদেরকে আমরা পরাজিত করেছিলাম, সেই দলের প্রার্থীকে এখানে মনোনয়ন দিয়ে এলাকার প্রত্যেক মানুষকে অপমানিত করা হয়েছে।

দিনজপুর-৬ আসনেও কমবেশি একই চিত্র দেখা গেছে। ধানের শীষ নিয়ে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আত্মগোপনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। তার প্রচারণাতেও নেই বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। অন্যদিকে এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী শিবলী সাদিক জোরেসোরে নির্বাচনী সভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট নিয়ে গঠিত এ আসন। এ আসনটিতে ১৯৭৩ থেকেই আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে, তবে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জামায়াত বিজয়ী হয়েছিলো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত