প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশে ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থেই এফবিসিসিআই আ.লীগকে ক্ষমতায় চায় : এ কে আজাদ

জুয়েল খান : এফবিসিসিআই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং হামীম গ্রুপের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ বলেছেন, ৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী দেশে ব্যবসার যে ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, ২০০১-এ বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে সেই ভিত্তি আবার ধ্বংস করেছে। বিএনপি বিদ্যুতের খাম্বা দিয়ে দেশের মানুষের সাথে যে ভাওতাবাজি করেছে, আওয়ামী লীগ সেই খাম্বায় তার লাগিয়ে দেশকে বিদ্যুতায়িত করেছে। এই কারণেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই সরকারের ধারাবাহিতা চাই।

২০ ডিসেম্বর রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআই- এর তরফ থেকে যে সংবর্ধনা দেয়া হলো এবং সবাই মিল নৌকায় ভোট চাওয়া হলো এটা একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের ডাকেনী বরং ব্যবসায়ীরাই প্রধানমন্ত্রীকে ডেকেছে। বহু ব্যবসায়ী চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় করতে। প্রধানমন্ত্রী অনেকদিন যাবত সময় দিতে পারেন নি, অবশেষে তিনি সময় দিয়েছেন। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী একজন অতিথি। বাকি সবাই ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী ছাড়া অন্য কারো আসার সুযোগ ছিলো না। ৬৮ টি জেলা চেম্বারের প্রতিনিধি ৩শ উপরে সংগঠন আছে সেই সংগঠনের প্রতিনিধি এবং যারা বড় ব্যবসায়ী, বড় করদাতা এবং বড় স্টেকহোল্ডার যারা লক্ষ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান করেছে, তাদেরকেই এই অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেন ২০০৯ সালে তখন দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ৩ হাজার দুইশ মেগাওয়াট আর এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আছে ২০ হাজার মেগাওয়াট, ইতিমধ্যে ১২ হাজার মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে, বাকিটা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছে, আবার ক্ষমতায় আসলে ২০২৩ সালে মধ্যে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। পদ্মাসেতুর প্রকল্প বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে মানুয়ের জীবন মানের উন্নয়ন হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে যা এই সরকার করছে নিজস্ব অর্থায়নে।

এ কে আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বেকারদের কর্মসংস্থানে রজন্য বেসরকারি খাতকে আরো শক্তিশালী করার জন্য দেশে ১০০টির মতো অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। যেগুলো ১০ টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে এবং বকিগুলো পরবর্তী ৫-১০ বছরের মধ্যে শেষ হবে এবং তিনি দেড়কোটি মানুষর নতুন করে কর্মসংস্থান করবেন। এছাড়া আমাদের গ্যাস প্রায় শেষের দিকে, প্রধানমন্ত্রী ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমাদানী করার সিন্দান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা দেখে মনে হয় তিনি অনেক বড় অর্থনীতিবিদ। আসলে ১৫ বছর দেশ পরিচালনার কারণে প্রতিটা ক্ষেত্রে তার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন, তা নজিরবিহীন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় জিডিপি ছিলো ৫ শতাংশ এখন সেই জিডিপি ৭. ৬ এ উন্নীত করেছেন। সর্বপরি এই সরকারের উন্নয়ন একেবারে দৃশ্যমান। তাই ব্যবসায়ীরা আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা রাখছে এবং নৌকায়র জন্য ভোট চাইছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত