প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নতুন পেশা ‘এথিকাল হ্যাকিং’, দেশেও রয়েছে যুক্ত হওয়ার সুযোগ

দেবদুলাল মুন্না: প্রতারণামূলক হ্যাকিং করা সাইবার আইনে অপারাধ।কিন্তু ইতিবাচক স্বার্থে হ্যাকিং অপরাধ নয়। বিভিন্ন দেশের ইনটিলিজেন্স বাঞ্চের সদস্যরা অপরাধী ধরতে হ্যাকিং করে থাকেন । এসব হ্যাকিং বৈধ। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বেসরকারীভাবে হ্যাকার ভাড়া করার প্রবণতাও বাড়ছে। এসব হ্যাকিংকে বলা হয় ‘ এথিক্যাল হ্যাকিং।’ সানফ্রানসিসকো-ভিত্তিক হ্যাকার ও বাগ বাউন্টি প্ল্যাটফর্ম ‘হ্যাকার ওয়ানের’ একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যায় আর্থিক লাভের জন্য বেসরকারি খাতেও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য হ্যাকিং এখন ক্রমেই আরও জনপ্রিয় হচ্ছে।এর সুবাতাস দেশেও এসে লেগেছে।

সরকারি বেসরকারিভাবে দেশেও নিয়োগ চলছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। অনলাইন মার্কেট প্লেসেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অনেকেই সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা ও অপরিহার্য।আর সেই প্রেক্ষাপট থেকেই ফ্রিল্যান্সিং ,সাইবার সিকিউরিটি , ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে আগ্রহীদের জন্য দেশে ২০১৬ সালে চালু হয়েছে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম, তানজিম আল ফাহিম।অফিস হচ্ছে মতিঝিলের ৫৬/৫৭, শরীফ ম্যানশন। হট লাইন- ০১৭৭৯২২৪৬৪০, ০১৮৮৫৮৪১৪৮৯।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ‘লগলিগ্যাল’ প্ল্যাটফর্মের সদস্যরা ২০১২ সালে বৈধ বা এথিকাল হ্যাকিং এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২৩ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার জিতেন। গত বছরও একই প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা ( ২০১৭ সালে) জিতেছে ৫৩ মিলিয়ন ডলার। এবছরের শীর্ষ আয়ের প্রতিষ্ঠানের নাম জানা যাবে আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি জরিপ শেষে। প্রায় দুশত দেশে এ ব্যবসার প্রসার ঘটেছে এরিমধ্যে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকারদের কমিউনিটি রয়েছে ভারতে। সেখানকার প্রতিষ্ঠিত হ্যাকাররা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের গড়পড়তা বেতনের চেয়ে ১৬ গুণ বেশি আয় করেন।নিউইয়র্ক পোস্টের চলতি বছরের অক্টোবরের জরিপ অনুযায়ী তথ্য হলো,যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭ ভাগ হ্যাকার তাদের অবসর সময়ে শখের বসে হ্যাকিং করেন। ১২ ভাগ হ্যাকার বছরে ২০ হাজার ডলারেরও বেশি আয় করেন। ৩ ভাগ হ্যাকারের আয় বছরে ১ লাখ ডলারের বেশি, আর ১.১ ভাগ হ্যাকার বছরে ৩.৫ লাখ ডলারের বেশি আয় করেন।জরিপে অংশ নেয়া ২৫ ভাগ হ্যাকার তাদের নিয়মিত চাকরির চেয়ে হ্যাকিং করা করে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। ‘হ্যাকার ওয়ানের’ সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স রাইস মনে করেন, এ পেশা সম্ভাবনাময়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ