প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় তুরস্ক

তরিকুল ইসলাম : বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় তুরস্ক। বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক আরো গতিশীল হবে। ঢাকা-আঙ্কারা’র এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে জনগণের মধ্য সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উভয় দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি, শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় ও সম্প্রসারিত করতে উভয় দেশ আন্তরিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী জানান, ঢাকা-আঙ্কারা মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক ভালো। ব্যবসায়িক ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে। গত আগস্টে ১৮ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী দল ঢাকা সফর করেছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ৫০ সদস্যের দল ঢাকা সফর করবে। উভয় দেশের মধ্যে বর্তমানে ১১০ কোটি ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। এরমধ্যে ৮০ কোটি ডলারে বেশি বাংলাদেশের রফতানি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলছেন, অতিতের মতো নির্বাচন ও জামায়াত ইস্যুতে মাথা না ঘামিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়াতে চাচ্ছে দেশটি। এ লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারিতে তুরস্ক থেকে ৫০ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর করার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যেকার ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। এটাই দু’দেশের সম্পর্ককে ভাতৃপ্রতীম সম্পর্কে রূপদানে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকা সফর করেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম। সে সময় বৈঠকে নতুন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন উভয় নেতা। ইলদিরিমের বাংলাদেশ সফরের আগে নভেম্বরে তুরস্ক সফর করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনি এরদোগান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু। তুস্কের ইস্তাম্বুলে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা, ওআইসি’র বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে গত ১০ ডিসেম্বর সফর করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

কূটনৈতিক সূত্রমতে, জামায়াত নেতাদের যখন মৃত্যদ- কার্যকর করা হলো, তখন তুরস্ক প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু গত মাসে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করার পরে কোনও বিবৃতি দেয়নি দেশটি। জামায়াত নেতাদের বিচারপ্রক্রিয়ার বিরোধিতার এক পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে তাদের রাষ্ট্রদূতকে তুরস্কেও ডেকে নেওয়া হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে সরে এসে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত