প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির ইশতেহারে নতুন কিছু নেই : তানজীব-উল-আলম

ফাহিম বিজয় : সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম বলেছেন, বিএনপির ইশতেহারে নতুন কিছু আছে বলে আমার কাছে মনে হয়নি। যেসব আইডিয়ার কথা তারা বলেছে, এর আগেও বহুবার তারা এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কিন্তু এর কোনো বাস্তবায়ন আমরা দেখিনি। আমরা যদি এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের ইশতেহার তুলনা করি তাহলে দেখতে পারবো যে, তারা পরিষ্কারভাবে বলেছে যে, তারা কী কী করতে পারবে এবং কী কী করতে পারবে না।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইশতেহারে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হবে এবং দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে না থাকার বিধান করবে। এটি করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তারা কি আশা করেছে যে, তারা দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি পাবে? এই সুযোগ তো তাদের ছিলো তখন তো তারা তা করেনি। তারা ক্ষমতায় গেলেই কি এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে? বলাটা যতো সহজ করাটা কিন্তু ততো সহজ নয়।

তিনি আরো বলেন, ইশতেহারে যে তারা বলেছে, ‘বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ১১ শতাংশে উন্নিত করা হবে’। তারা এটি কীভাবে করবে এ বিষয়ে কি তারা বলেছে? তাদের কাছে কি আলাদিনের চেরাগ আছে? মানুষের কর্ম সংস্থানের যদি কোনো ব্যবস্থা না হয় তাহলে কোনো ভাবেই প্রবৃদ্ধি হয় না। তখন দেখা যায়, কিছু লোক সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে, কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নতি হয় না। প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হয় তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন কখনো হয় না। আওয়ামী লীগের ইশতেহারে বলা আছে যে, তারা প্রতিটি ঘরে কর্মক্ষম একজন ব্যক্তিকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেবে। প্রতি উপজেলা থেকে দু হাজার মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবে।

তিনি আরো বলেন, তারা বলেছে, ‘নারী ক্ষমতায়নের জন্য সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে উল্লেখসংখ্যক নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে’। এটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছে? সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বুঝিয়েছে তারা? তারা কি নারী প্রেসিডেন্ট বানাবে? হাইকোর্টের জজ কি নারীদের মধ্য থেকে বানাবে? ইলেকশন কমিশন কি নারীদের সমন্বয়ে গঠন করবে? সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে তো এগুলোকেই বোঝায়। তো এগুলোতে কি আওয়ামী লীগ নারীদের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করেনি? আওয়ামী লীগ সবসময় নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত