প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আইএসআইয়ের অপতৎপরতা: বিএনপি কি পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরতে চায়!

সমীরণ রায় : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ রাজনৈতিকদলগুলো নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। দলগুলো ইশতেহারে তাদের বর্তমান ও ক্ষমতায় গেলে জনগণের জন্য কি করবে তা তুলে ধরেছে। কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অন্য জায়গায়। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের অপতৎপরতা! এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নির্বাচনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বিএনপি নেতারা আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারে অপতৎপরতা চালাচ্ছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)। সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আইএসআইয়ের এক কর্মকর্তার কথোপকথনের অডিও ফাঁসের সূত্র ধরে চালানো অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিজেদের মনোভাবাপন্ন ও সমর্থক দলকে ক্ষমতায় আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে আইএসআই। দুবাই থেকে কলকাঠি নেড়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের পাঁয়তারা করছে তারা।

গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আইএসআইয়ের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সারির নেতাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি লন্ডনে বসবাসরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা। এছাড়া চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বিএনপি-জামায়াত নেতারা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চালানোরও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

যেহেতু সাংবাদিকতা করি, তাই সাধারণ মানুষ মাঝে মধ্যে প্রশ্ন করেন, দেশ কোন দিকে যাচ্ছে? তাদের প্রশ্ন, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই নাকি বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ফলে নির্বাচন কি সুষ্ঠু হবে? নাকি নির্বাচন বানচালের পায়তারা করছে? এমন প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারিনি। শুধু একটা কথাই বলেছি। এদেশটা পেতে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জত দিতে হয়েছে। অতএব, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ বিরোধী যতই অপতৎপরতা করুক না কেন, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। তরুণরা আজ জেগে উঠেছে। তাই কিছুই হবে না। সাধারণ মানুষকে সান্তনা দিলেও নিজেকে সামলাতে পারছি না। কারণ বিএনপি এখনও পাকিস্তানি প্রেমে রয়েছে। ফলে মাথায় বিভিন্ন প্রশ্ন ঘুরছে। তাহলে কি দেশবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে? কারণ পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ কি প্রমান করে? বিএনপি কি তার অবস্থান থেকে একচুলও নড়েনি? ১৬ ডিসেম্বর ছিল বিজয় দিবস। বিজয়ের মাসে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে। অথচ আমরা পাকিস্তানিদের শোষণ-বঞ্চনা থেকে রেহাই পেতে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ পেয়েছিলাম। সেই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বিএনপি এখনও যোগসূত্র রেখে চলছে। তাদের সঙ্গে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। তার মানে বিএনপি কি পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরে যেতে চায়! নাকি দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চায়?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত