প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সকল বিচারবহির্ভূত হত্যা মামলার সমাধান করতে চায় ঐক্যফ্রন্ট

সৌরভ নূর : ঐক্যফ্রন্ট তাদের অঙ্গীকারে বলেছে ‘গত দশ বছরে কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতা এবং পুলিশকে দলীয় ক্যাডার হিসাবে ব্যবহার করে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা, গুম, খুন , মামলার ঘুষ বাণিজ্য ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় লক্ষ লক্ষ পরিবার ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী ও আইনজীবীর সম্বন্বয়ে সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসনে (ট্রুথ অ্যাণ্ড রিকনসিলিয়েশন) কমিশন গঠন করে খোলামনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।’ সূত্র : বিবিসি বাংলা

এ প্রসঙ্গে দুর্নীতি বিষয়ক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশানাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড: ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন ট্রুথ অ্যাণ্ড রিকনসিলিয়েশনের বিষয়টি সাধারণত গঠন করা হয় কোনো দেশে গৃহযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায়। এছাড়া এই অপরাধগুলো এমন নয় যে ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

‘তাহলে কি বিষয়টা এমন দাঁড়ায়, একটি বিশেষ দল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জড়িত বলে সেখানে নমনীয় হবার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে, নাকি তারা সত্যিই বিষয়টা নিয়ে ট্রুথ অ্যাণ্ড রিকনসিলিয়েশন করতে চান!’

তিনি আরও বলেছেন, শুধু বিগত দশ বছর কেনো? গুম, অপহরণ, হত্যা এগুলো তো দশ বছরের আগেও হয়েছে। তাহলে বিষয়টা কেনো একপাক্ষিক হবে? আর দ্বিতীয়ত এসব অপরাধ কি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য? এখানে তাহলে ন্যায়বিচারটা কোথায় যাবে?

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মির্জা তসলিমা সুলতানা বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট একটা সত্যানুসন্ধান কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এজন্য তাদের স্বাগতম। তবে সেটার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কীনা, সেটা নির্ভর করবে তারা ক্ষমতায় গেলে কাদের নিয়ে এই কমিশন গঠন করবেন তার উপর।

তিনি আরও বলছেন, গুম, খুন এবং বিচারবহির্ভূত যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো নিয়ে তো কোন না কোনোভাবে রিকনসিলিয়েশন (আপোষ) করতে হবে। নাহলে সবসময় প্রতিহিংসার যে পরিস্থিতিটা বিরাজমান, সেটা আরও বাড়বে। এবং সত্য অনুসন্ধানের একটা পথ আমাদের খোলা রাখতে হবে।

তসলিমা সুলতানা ড: ইফতেখারুজ্জামানের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, গত ১০ বছরের আগের বিচার বহির্ভূত হত্যা, গুম, খুন এড়ানোর চেষ্টা উচিত হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ