প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজশাহীতে জঙ্গিদের দিকে বাড়তি নজড় দিচ্ছে প্রশাসক

হ্যাপি আক্তার : একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী অঞ্চলে সংগঠিত হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, আনসার আল ইসলাম ও হিযবুত তাহরীর। এমনটি জানিয়েছেন র‌্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে তৎপর র‌্যাব ও পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। আর শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা বাহিনীকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। সূত্র : সময় টেলিভিশন

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। র‌্যাব বলছে, এই নির্বাচনকে টার্গেট করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে রাজশাহী অঞ্চলে সংগঠিত হচ্ছে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, হিযবুত তাহরীর ও আনসার আল ইসলাম। সম্প্রতি র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম বলেছেন, নাটোর, পুঠিয়া এবং চারঘাটের কিছু অংশে আনসার আল ইসলামের বেশকিছু ও হিজবুত তাহরীরের অল্প কিছু সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, জামিনে মুক্ত ব্যক্তিরা যদি নাশকতামূলক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত হয় বা এই সংগঠনগুলোর কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত হয় তবে আমরা তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।

আরএমপির সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেছেন, আমরা আরো মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি যাতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, নির্বাচনে কোনো গোষ্ঠী যাতে সহিংসতা ঘটাতে না পারে সে লক্ষ্যে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আর জামিনে মুক্ত থাকা জেএমবি সদস্যের ওপর বাড়তি নজরদারি রাখার কথা জানায় র‌্যাব।

রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেছেন, যাতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম কেউ চালাতে না পারে এবং মানুষ যাতে সুন্দরভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য আমরা কাজ করে যাবো। জেলা রিটার্নিং অফিসার এস. এম. আব্দুল কাদের জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সবার সার্থেই আমরা মিটিং করেছি। নির্বাচনে পর্যাপ্ত ফোর্স নিয়োগ করা হবে। টহল ফোর্স, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ থাকবে, সেনাবাহিনীও থাকবে। আমরা আশা করি রাজশাহীতে উৎসবমুখর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত চার বছরে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে এই অঞ্চলে ১৪ জন জেএমবি সদস্য বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। আর গ্রেফতার হয় অন্তত ৪৫ জন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা জঙ্গির অর্ধেক জামিনে রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত