প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের মামলা

সমকাল  :  শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ থেকে ফেরার সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতা মানিক বাদী হয়ে গত শনিবার মামলাটি করেন। তার অভিযোগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার সময় স্মৃতিসৌধের ফটকে তাদের মারধর করা হয়। এতে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এজাহারে তিনি যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ১০৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন।

একই ঘটনায় গত রোববার ঢাকা-১৪ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে দারুসসালাম থানায় একটি মামলা করেন। এতে তিনি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকর্মীকে আসামি করেছেন।

এদিকে, ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন তিন দিনের মধ্যে জমা দিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

সোমবার এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ইসি সচিবালয় থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, এ ঘটনায় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর করা মামলায় ২৭ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহাম্মদ  বলেন, মামলা দুটি তদন্ত করা হচ্ছে। সেদিন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা জানিয়ে ফিরে যাওয়ার পর ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা আসেন। সে ক্ষেত্রে কারা ওই ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল বা কীভাবে এর সূত্রপাত হয়, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। মামলাগুলোর তদন্ত শেষ হতে সময় লাগবে। তবে ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে এ-সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর মামলা নথিভুক্ত হওয়ার আগের দিন ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়। মামলার বাদী মিরপুরের ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মানিকের অভিযোগ, ১৪ ডিসেম্বর সকালে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাচ্ছিলেন। মিছিলটি ফটকের সামনে পৌঁছলে সেখানে উপস্থিত যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগকে নিয়ে কটূক্তি করে। এ নিয়ে দুই পক্ষে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের মারধর করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। একজনের হাত ভেঙে যায়।

সর্বাধিক পঠিত