প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘শিল্পায়ন বহুমুখী করার উদ্যোগ ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে অনুপস্থিত’

সাব্বির আহমেদ : নিরাপত্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন, সুশাসন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা, নিরাপদ সড়ক, জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ মোটা দাগে ৩৫ টি বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করে ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলেছেন, শুধু গার্মেন্টস ও রেমিটেন্সের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে শিল্পায়ন বহুমুখী করার বিকল্প নেই। অথচ এই বিষয়টি ইশতেহারে একেবারেই অনুপস্থিত। সেইসাথে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস উৎপাদন ও বিতরণের স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল পূর্বানীতে ফ্রন্টের এ ইশতেহার প্রকাশ করা হয়।

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার কতটা বাস্তবায়নযোগ্য? জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, স্বাস্থ্যখাত ছাড়া অন্যগুলোতে আর্থিক ইনভলভমেন্ট নেই। তাই এটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। নিরাপদ সঞ্চালণ লাইনের ব্যবস্থা করা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা-পানিসহ প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহার করতে হবে। গ্যাস অনুসন্ধান করা। ক্ষমতায় যাওয়ার পর একে একে নিরীক্ষণ করে কোনটা কতটুকু বাস্তবায়ন করবে বা করবে না, সেটা করা হয় না।

ইশতেহার ভোটারদের পক্ষে টানার প্রতিশ্রুতির সমাহার কি না? উত্তরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক ড. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এমাজউদ্দিন আহমদ বলেন, যোগ্য লোকের কাছে দায়িত্ব ছিল না বলেই বাস্তবায়ন হয়নি। অথবা অধিকাংশেরই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা ছিল না। এখন সাড়ে ৩ কোটি তরুণ ভোটার। এবার কাজ করার দায়িত্ব তাদের।

উভয়ের মতে, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সংসদে কার্যকর ও শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা দরকার। যারা ইশতেহার বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীন দলকে বাধ্য করতে পারে। এছাড়া এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট অধিবেশনও ডাকা যেতে পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত