প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঠাকুরগাঁওয়ে পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত-৮

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব, ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।এ হামলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলা রহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার লাগাতে যায়। এ সময় একই এলাকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় আরো ৭-৮ জন নেতাকর্মী আরো আহত হয়। বাকি আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

আহত আবু সায়েম পরাগ বলেন, বিএনপি’র প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোস্টার লাগালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ছেঁড়ে ফেলে বাধা দেয়। আমরা এর প্রতিবাদ করে পরে পোস্টার লাগাতে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় আমাদের উপর। এতে আমার মাথা ফেটে যায়। আমাদের আরো ৭-৮ জন নেতাকর্মী আরো আহত হয় এ ঘটনায়। ছাত্রলীগ যুবলীগের ক্যাডাররা বিনা উস্কানিতে এ হামলা চালায়। নির্বাচনী রিটার্নিং কর্মর্কতার কাছে এ হামলা ও পোষ্টার ছেড়ার বিচার চাই।

এ প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু বলেন, প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও বাধা দিচ্ছে। প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। নির্বাচনী পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কিছুই নেই এখানে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান আখতার বলেন, কোন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীই রহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় পোষ্টার ছেড়া বা হামলার ঘটনায় যুক্ত নয়। নির্বাচনী পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করতে ও পরিবেশ বিনষ্ট করতে এ ধরণের উদভট অভিযোগ করা করা হয়েছে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বলেও দাবি করেন এ নেতা।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওপর দায় চাপানোর জন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আমরা বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার লাগানোর বিষয়ে কোনো বাধা দেইনি। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পোষ্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের কথা শুনেছি। সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে এ ঘটনায় সদর থানায় এখনও কোন মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত