প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো’

রমজান আলী : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে আরও একধাপ এগিয়ে নেয়ার জন্য আগামীতে কাজ করবো। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে কোন দেশের মূলশর্ত হলো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহ না থাকলে একটি দেশের উন্নয়নের অগ্রয়াত্রা থমকে যেতে পারে। তাই আমি অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহের ব্যবস্থা করবো। দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সমৃদ্ধি করার জন্য দেশের সকল মানুষকে এক সাথে নিয়ে কাজ করবো।’

নসরুল হামিদ বিপু আগামী দিনে তাঁর পরিকল্পনা বিষয়ে আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নির্দেশনায় দেশের ৯১ শতাংশ মানুষ এখন বিদ্যুতের আওতাধীন। আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করলে শতভাগ বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে যাবে সবার ঘরে। বাংলাদেশের মধ্যে কেরানীগঞ্জ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে যেসব কারণে তা হলো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্গলা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বেশি হয়েছে তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে।

কেরানীগঞ্জকে একটি উন্নত, আধুনিক, রুচিশীল ও সবার জন্য নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।
তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি মাস্টারপ্লান করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চাহিদা অনুযায়ী জমির স্বল্পতা সত্ত্বেও সবাইকে একীভূত করে উন্নয়ন সম্ভব। এছাড়া পদ্মা সেতু চালু হলে কেরানীগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিপুল লোক সমাগম হবে। তাই স্বপ্ল জায়গায় কিভাবে অধিক লোকের একটি স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক এবং সকল নাগরিক সুবিধা রেখে আবাসন ব্যবস্থা করা যায় তার পরিকল্পনা ও নীতিমালা প্রণয়ন চলছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দেশকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এখন বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে আগামী ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছানো। আর উন্নত দেশে যাওয়ার পথে সরকারের চারটি অভীষ্ট লক্ষ্যের দুটি ধাপেই প্রাথমিক সাফল্য নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিবাচক দিকগুলো বেরিয়ে আসবে এবং বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। চারটি অর্থনৈতিক লক্ষ্য হলো এলডিসি থেকে উত্তরণ, উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ, জাতিসংঘ ঘোষিত দ্বিতীয় বৈশ্বিক কর্মসূচি ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং মধ্য আয়ের দেশ অতিক্রমের সিঁড়ি বেয়ে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশে যাত্রা।

বাংলাদেশকে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। তাই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান রইলো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত