প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেরপুর-২ আসনে বিএনপি-আ’লীগ সংঘর্ষ, আহত ২৫

যুগান্তর : শেরপুর-২ আসনে নকলা উপজেলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি ও নারায়ণখোলা এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতের এ ঘটনায় এক এসআই ও দুই পুলিশ কনস্টেবলস উভয় দলের অন্তত ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ সময় নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়।

নকলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ ৮ বিএনপি নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনার জন্য উভয় দল একে-অপরকে দায়ী করেছে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৮ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়েছে। এ ব্যাপারে নকলা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থক ৫ জনকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন টালকি ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলী আকবর (৫০), ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহসভাপতি শরাফত আলী (৪৫), শ্রমিকলীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান বাবু (৩২), মামুন (২৮) ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল মিয়া (৩০)। এছাড়া আহত বিএনপি সমর্থকদের অন্যত্র চিকিৎসা দেয়া হয়।

জানা গেছে, নকলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর পক্ষে একটি নির্বাচনী অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় হামলা-পাল্টা হামলার জের ধরে অন্যান্য এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাতেই নকলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. ফাহিম চৌধুরীর বাসার গেটে বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দুই দফায় লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে নকলা বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

নকলা থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, স্থানীয়ভাবে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উত্তেজনা দেখা দিলে ১৮ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি বলেন, নকলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ ৮ বিএনপি নেতাকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা হযরত আলী বাদী হয়ে থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে।

অপরদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকূড়া ইউনিয়নের গড়ের বাজার এলাকায় ধানের শীষ প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস যুবলীগ নেতাকর্মীরা ভাঙচুর করেছে বলে বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল অভিযোগ করেছেন। তবে স্থানীয় যুবলীগের পক্ষ থেকে এ অভিযোগের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত