প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. কামালের ওপর হামলায় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস সিইসির
সশস্ত্রবাহিনী প্রয়োজনে আটক করতে পারবে : সিইসি

সাইদ রিপন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সশস্ত্রবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় আটক করতে পারবে। গতকাল শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

নূরুল হুদা বলেন, সেনাবাহিনী সিআরপিসি অনুযায়ী পরিস্থিতি বিবেচনায় আটক করতে পারবে। তবে তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সশস্ত্রবাহিনী মাঠে থাকবে। এজন্য আচরণবিধি প্রতিপালন নিয়ে আগামী সপ্তাহ থেকে টেলিভিশনগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচার হবে। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষক, সাংবাদিকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সাংবাদিকরা ভোটকক্ষের ভেতরে কোনো লাইভ প্রচার করতে পারবে না। তাছাড়া প্রতি কেন্দ্রে সীমিত আকারে সাংবাদিকেদের যেতে হবে, যাতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অসুবিধা নয় হয়। বাংলাদেশি পর্যবেক্ষদের জন্য নীতিমালা আছে, বিদেশিদের জন্যও নীতিমালা আছে। সেগুলো মানতে হবে। কেন্দ্রের ভেতরে বেশিক্ষণ থাকতে পারবেন না। লাইভ সংবাদ প্রচার করতে পারবে না। তবে ভোটকক্ষের বাইরে করতে পারবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ড. কামালের বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি একজন সিনিয়র সিটিজেন এবং প্রখ্যাত লোক। এটি কাম্য নয়। তার ওপর হামলার ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে। যেভাবে ব্যবস্থা হয়, সেটা হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারাও একটি আবেদন করেছে। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটির কাছে বিষয়টি পাঠাব। তারা যেভাবে রিপোর্ট দেবে, সেভাবে ব্যবস্থা নেব।

আচরণবিধি ভঙ্গের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা ১২২টি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তাদের কাছে অভিযোগ করলে ভাল হয়। নির্বাচনের দায় দায়িত্ব বেশিরভাগ রিটার্নিং কর্মরকর্তারা হাতে। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আছে, তাদের কাছেও অভিযোগ দেওয়া যাবে। বিরোধীদলগুলোর ওপর পুলিশী হামলা ও হয়রানির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মহাপুলিশ পরিদর্শককে কাল-পরশুর মধ্যেই চিঠি দেব, যেন কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর কর্মীদের ফৌজদারী অপরাধের সঙ্গে জড়িত না থাকলে যেন হয়রানি, গ্রেফতার না করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত