প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুক্তিযোদ্ধা প্রফুল্ল চন্দ্র রায় চান রাষ্ট্রীয় সম্মান

এস এম সাব্বির, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছিল চূড়ান্ত বিজয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ধ্বংস ও মৃত্যুর পাথার পেরিয়ে তবেই এ স্বাধীনতা এসেছে। এতে প্রাণ দিয়েছেন ৩০লক্ষ মানুষ, দু’লক্ষাধিক মা-বোন হারিয়েছেন তাদের অমূল্য সম্ভ্রম। এ বিজয় অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধারা।

তেমনই একজন মুক্তিযোদ্ধা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাটরবাড়ী গ্রামের প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। তিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি সৈন্য ও তাদের দোসরদের সাথে যুদ্ধ রচনা করেন।

তার সঙ্গী যারা প্রাণ হাতে নিয়ে সম্মুখ যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তাদের অনেকেই আজ নেই। যারা আছেন তাদের কেউ কেউ খুবই ভালো আছেন। ৬৪ বছরবয়সী মুক্তিযোদ্ধা প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এখন বই প্রেমী। সারাদিন তিনি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী, কিংবা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ের পত্র-পত্রিকা পড়ে সময় কাটান।

দুই ছেলে মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। ছোট ছেলে এখনো পড়াশুনা করছে। তিনি গ্রামের বাজারে ছোট একটি মুদি দোকান চালাতেন। কিন্তু শরিলে জোর না থাকায় এখন আর তিনি দোকান চালান না। সারাদিন বাড়িতে বসে বই ও পত্র-পত্রিকা পড়েন। মাঝে মধ্যে ছোট ছেলের বন্ধুরা তার বাড়িতে আসলে তাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুনান। এভাবেই দিন যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের।

শেষ বয়সে এসে তার চাওয়া, মৃত্যুর আগমূহর্ত্ব পর্যন্ত দেখে যেতে পারেন শেখের বেটি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সততার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোঁনার বাংলা বাস্তবরূপী করেছেন।

এছাড়া মৃত্যুর পর দফনের সময় রাষ্ট্রীয় সম্মান চান মুক্তিযোদ্ধা প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত