প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বার্থের জন্য যুদ্ধাপরাধের আদর্শকেও মেনে নেয়া হচ্ছে : ড. সলিমুল্লাহ খান

মারুফুল আলম : লেখক ও গবেষক ড. সলিমুল্লাহ খান বলেছেন, বিএনপি নেতারা বারবার বলছেন যে, জামায়াত বলতে কিছু নেই, সবাই ধানের শীষ হয়ে গেছে। সেরকম কথা আওয়ামী লীগও বলতে পারে, ওয়ার্কার্স পার্টি বলতে কিছু নেই, সবাই নৌকা নিয়ে নির্বাচন করছে। তবে এসব হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার। সত্য ও বাস্তব কথাটি হচ্ছে, স্বার্থের জন্য যুদ্ধাপরাধের আদর্শকেও মেনে নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ডিবিসি নিউজ’র টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকা আর যুদ্ধাপরাধের আদর্শকে এখনও অব্যাহত রাখা দুটি ভিন্ন কথা। ধর্মভিত্তিক দল থাকতে পারে কিন্তু যুদ্ধাপরাধের আদর্শ থাকা যায় না। স্বার্থের জন্যই এ আদর্শকে মেনে নেয়া হচ্ছে। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার যে উপদেশ আমরা বারবার দিই তার আগে স্পষ্ট করা উচিত, যারা জামায়াতকে রেখেছে তারা কোন স্বার্থে রেখেছে। তারা রেখেছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যই। সরকারও অনেক ধর্মভিত্তিক দলকে আশ্রয়প্রশ্রয় দিচ্ছে ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার জন্য। ক্ষমতার রাজনীতিটাই বড় হয়ে ওঠেছে। আদর্শ সব দলই ত্যাগ করেছে।

ড. সলিমুল্লাহ বলেন, সবাই এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছেড়ে দিয়েছে। বাম গণতান্ত্রিক জোট যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে সমাজতন্ত্রকেই বোঝে, তারা সমাজতন্ত্র ছেড়ে দিয়ে নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আংশিক হলেও ছেড়ে দিয়েছে। একইভাবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলছি, তারা ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিসর্জন দিচ্ছি।

ড. সলিমুল্লাহ আরো বলেন, সকল যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। জামায়াতের অনেকের বিচার পরীক্ষিতভাবে হয়েছে। মনে রাখা উচিত, যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৩৭ হাজার লোক বন্দী করা হয়েছিলো। তাদের মধ্যে যারা ছোটখাটো অপরাধ করেছিলো তাদেরকেই শুধু সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছিলো। এরপর ক্ষমা করা হয়নি ১১ হাজার লোককে যাদের ১৯৭৩ সালেও বন্দী রাখা হয়েছিলো অপরাধী হিসেবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত