প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দখলে নির্বাচিত হলে তাতে গৌরব-বীরত্ব থাকে না: সাকি

হ্যাপি আক্তার : গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ক্ষমতার দাপট ও বাহাদুরি দেখতে পাচ্ছি। রাষ্ট্রতন্ত্র ও সরকারের মধ্যে যে একটি পার্থক্য থাকে, সে পার্থক্যটি আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সকলেরই উপলব্ধি থাকা ভালো। সেটা থাকলে রাষ্ট্র, জনগণ এবং সরকারের উপকার। তবে রাষ্ট্র আর সরকার যখন একাকার হয়ে যায় তখন মানুষের অধিকার বলে আর কিছুই থাকে না। আর টিভির ‘গোলটেবিল’ টকশোতে এক প্রশ্নোত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, আরও একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হলে, জনগণের মধ্যে ক্ষোভ থেকে যাবে। আর ক্ষোভ-বিভাজনের সমাজ হলে গুমড়ে গুমড়ে আরো একটি খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে দেশে। বিভাজনটাকে স্বীকার করে বিশ্বাসযোগ রাজনীতির সৃষ্টি করতে পারলে আওয়ামী লীগের জন্য গৌরবের বিষয় হবে। তবে তা না করে নির্বাচনের আগেই দখল করে ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলে সেটির কোনো গৌরব, বীরত্ব বা শক্তির বিষয় হবে না।

নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে সাকি বলেন, সরকারি দল যেভাবে মাঠে উপস্থিত, সেভাবে অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা মাঠে উপস্থিত থাকতে পারছে না। আমরা সংঘাত ও মৃত্যু চাই না। আমরা চাই সবাই যেন সমান সুযোগ নিয়ে প্রচার করতে পারে এবং একজন ভোটার যেন নির্বাচনে আসতে পারে। কিন্তু সে সুযোগটি এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বলতে পারে নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ পরিবেশে হয়েছে। কিন্তু তেমন না হলে মানুষের মাঝে সেই উপলব্ধি জাগবে না। সেটি হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে আমরা আমাদের জায়গা থেকে রাজনীতি করি। সে জায়গা থেকে বলার অধিকার আমরা রাখি বলেই পরিষ্কার করে বলছি, নির্বাচন কমিশন এখনো কোনো ভূমিকা পালন করছে না।

নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন, উল্লেখ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, বড় দুই রাজনৈতিদক দলের বাইরে আমি। তার পরেও আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রচারের সময় মাইকের তাঁর কেটে দিচ্ছে। পোস্টার, ফেস্টুন লাগানো যাচ্ছে না। লাগলেও ছিড়ে ফেলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আপনি প্রচার করবেন, উপস্থিত থাকবেন আর বিরোধী দল তা পরবেনা, এর মানে কি? এমন পরিস্থিতি যদি তৈরি হয়, তবে নির্বাচনটি সুষ্ঠু হবে না। এটা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য ভালো হবে না। সম্পাদনা: আনিসুর রহমান তপন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত