প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বুদ্ধিজীবীহত্যায় যে ক্ষতি হয়েছে সেটি অপূরণীয় : মুহাম্মদ সামাদ

খায়রুল আলম : কবি ও শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ সামাদ বলেছেন, যদি দীর্ঘমেয়াদী একটি দেশের কোনো বড় ক্ষতি করতে হয়, তাহলে সে দেশের মেধা ও বুদ্ধিভিত্তিক চর্চার সাথে যারা জড়িত, তাদের বিয়োগ করলেই হয়। পাকিস্তান আমাদের সাথে সেটাই করেছে।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, কবি, সাংবাদিক এমন আরো ভালো মেধাবী লোকদের নির্মূল করার পরিকল্পনা পাকিস্তানের ছিলো। তার অংশ হিসেবে সাংবাদিক সেলিনা হোসেন, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, ডাক্তার আলীম চৌধুরী, মনির চৌধুরী, সৈয়দ গিয়াস উদ্দিনসহ আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানিরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো। বাংলাদেশের একটি বিশাল বড় ক্ষতি করেছিলো, যেটি আমরা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। বুদ্ধিজীবী হত্যায় যে ক্ষতি হয়েছে সেটি অপূরণীয়। এমন নির্মম হত্যাযজ্ঞ যেনো আর কোনো দেশে না হয়। তবে আমি খুবই আনন্দিত, সেদিন যারা এই ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িত ছিলো তাদের বিচার হচ্ছে। যে সকল বুদ্ধিজীবীদের সেদিন মারা হয়েছিলো, তাদের সন্তানরা এখনো হাহাকার করে, বিভিন্ন সময় তাদের আহাজারিতে আমরা অশ্রু ধরে রাখতে পারি না। প্রজন্ম পরম্পরা বলতে একটি কথা আছে। যুদ্ধের সময়ে আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি। আমি সে সময় নিজ চোখে মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি। তাই আমার চোখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরিষ্কার। কিন্তু এখন যারা নতুন প্রজন্ম আছে, তারা বিভিন্ন সময় সরকার পরিবর্তনরে কারণে ভালোভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আমাদের বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যার কথা ভালোভাবে জানে না। তবে গত দশ বছর বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার কারণে, এ প্রজন্মের সবাই সঠিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পেরেছে। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের সন্তানরাও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধরে রাখতে অনেক কাজ করছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যে স্বপ্ন ছিলো তা সফল হবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত