প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রচারণায় ব্যতিক্রম পার্থ, ‘হাস্যোজ্জ্বল’ এরশাদ

সাব্বির আহমেদ : প্রতীক পাওয়ার পর থেকে পুরোদমে নির্বাচনী লড়াইয়ের মাঠে নৌকার প্রার্থীরা। এ যাত্রায় অনেকটাই ব্যাকফুটে ধানের শীষের প্রার্থীরা। প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত তাড়া করছে গ্রেফতার আতঙ্ক। আর এ গ্রেফতার এড়াতে কিছুটা কৌশলী ভোলা থেকে ঢাকায় নির্বাচন করা ২০ দলের মনোনীত ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় পার্থের। তার পক্ষে প্রচারণার শুরুর দিন এ পর্যন্ত দৃশ্যত কোনও কর্মতৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। ঢাকা -১৭ (গুলশান-সেনানিবাস-ভাষানটেক) আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের একজন তিনি। প্রচারণায় পিছিয়ে থাকার কারণ কি? জানতে চাইলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, এলাকায় একটি ঘরোয়া বৈঠক করছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে দলের কয়েকজন স্থানীয় নেতাকে আটক করে পুলিশ। তাই এখনও প্রচার শুরু করিনি। ঘটা করে প্রচার পক্ষে নন সাবেক সংসদ সদস্য পার্থ।

গণমাধ্যমে প্রচারণার কাভারেজও চান না তিনি। তার মতে, এই বৈরি নির্বাচনী পরিবেশে আগে থেকে জানিয়ে প্রচারে নামলে হিতের বিপরীত হবে। কর্মীরা যেকোনো সময় হেনস্তার শিকার হতে পারে। তাই বলেকয়ে নয়, যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে প্রচারণা করবেন। গ্রেফতার ও হামলা এড়াতেই এমন কৌশল নিয়েছেন বলে জানান পার্থ। তিনি বলেন, ঢাকার যেকয়টি এলাকায় বিএনপি পার্থীরা প্রচারণা কিংবা গণসংযোগ করছেন- প্রত্যেকেই কমবেশি প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হচ্ছেন।

প্রচারণায় চুপ থাকলেও লাঙ্গল প্রতীকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ এইচ এম এরশাদের। কিন্তু বাস্তবে নয়, পোস্টারে। পোস্টারগুলো সাদাকালো হলেও খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন অনেক পথচারী। যেখানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকা পল্লীবন্ধু এরশাদকে বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখা যাচ্ছে।

এদিকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার দৌড়ে প্রচারের আনুষ্ঠানিকতা সবার আগেই শুরু করে দিয়েছেন ফারুক। ১১ ডিসেম্বর গুলশান-২-এর ওয়ান্ডারল্যান্ডে বিশাল মাঠে ‘ওরে নীল দরিয়া, আমায় দেরে দে ছাড়িয়া…’ গানটি বাজিয়ে তিনি প্রচারাভিযানে নামেন। জনপ্রিয় গানটি ফারুক অভিনীত বিখ্যাত ‘সারেং বৌ’ চলচ্চিত্রের। নিজের প্রচারে তারকাখ্যাতিকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। প্রচারের শুরুতেই সরব হলেও প্রায় সোয়া তিন লাখ ভোটারের আসন ঢাকা-১৭-তে ফারুকের প্রতিপক্ষরা নীরবই রয়েছেন। এই আসনের সাবেক সাংসদ এইচ এম এরশাদ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর চলে গেছেন। প্রচারাভিযানে তিনি নামবেন কি না, তাও ভোটারদের কাছে অজানা। কালাচাঁদপুর, শাহজাদপুর, গুলশান-২ নম্বর চত্বরে কিছু পোস্টার টাঙিয়ে দিয়েই ভোটের লড়াইয়ে থাকার বার্তা দিয়ে গেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। এই আসন থেকে সিংহ প্রতীক পাওয়া সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা বলেছিলেন, ‘সিংহ যেমন বনের রাজা, আমিও গুলশানের রাজা হতে চাই। আমি এ নির্বাচনে জিতব।’ জয়ের আশা করলেও নাজমুল হুদাকে প্রচারে নামতে দেখেননি গুলশানবাসী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত