প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ওয়ার্কার্স পার্টির ১৩ দফা ইশতেহার ঘোষণা

রফিক আহমেদ : বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নয়ন ও সমতাভিত্তিক বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১৩ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন দলটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এ ইশতেহার উপস্থাপন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ঢাকা-৮ আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, আনিসুর রহমান মল্লিক, নুরুল হাসান, মাহমুদুল হাসান মানিক, ড. সুশান্ত দাস, হাজেরা সুলতানা, কামরূল আহসান ও মুস্তফা লুৎফুল্লাহ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে মেনন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশ উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই উৎসবমুখর পরিবেশে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের দু’জন কর্মী নিহত হয়েছেন বিএনপির আক্রমনে। বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি কর্মীরা হয় নিজেদের কারণে অথবা সাধারণভাবে আহত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তারা সেই সন্ত্রাসী পথটাকে বর্জন করেনি।

তিনি বলেন, দেশবাসীর জন্য এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৪ দলীয় জোটের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা, না কি বিএনপি- জামায়াত জোট সরকারের আমলের সেই হত্যা, ধর্ষণ, খুন ও হাওয়া ভবনের লুটপাটে ফিরে আসবে তা এই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

ইশতেহার ওয়ার্কার্স পার্টির ১৩ লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে। এতে ৮ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে- এক. রাজনীতিকে দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়নের হাত থেকে রক্ষা করতে রাজনীতি ও নির্বাচন ব্যবস্থার পরিপূর্ণ সংস্কার করা। দুই. উন্নয়নের পাশাপাশি ধনী-দরিদ্রের ও গ্রাম-শহরের বৈষম্য যৌক্তিকহারে কমিয়ে আনা। তিন. রাষ্ট্র, প্রশাসন ও অর্থনীতির সর্বস্তরে দুর্নীতি রোধ, ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থ পাচার ও ঋণ খেলাপি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। চার. বেকার যুবকদের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত বেকারদের কর্মসংস্থান সাপেক্ষে বেকার ভাতা প্রদান করা। পাঁচ. ডিজিটাল ব্যবস্থাকে সর্বগ্রাহী ও ডিজিটাল ডিভাইড বা ডিজিটাল বৈষম্য (কম্পিউটার প্রশিক্ষিত ও কম্পিউটির অশিক্ষিত জনসংখ্যার ব্যবধান) কমানো ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া। ছয়. শিল্পায়নের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১৩ ধারাকে ভিত্তি করে রাষ্ট্রীয় মালিকানা, সমবায় ও ব্যক্তি মালিকানার ভারসাম্য রক্ষা করা, পরিবেশ রক্ষার বিষয়কে অগ্রাধিকার প্রদান করা। সাত. বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনাহীনতা ও ব্যক্তি স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করা। গ্যাস সম্পদ আহরণে বাপেক্সকে আরও সক্ষম করে তোলা এবং আট. পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত