প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এলপিজি’র ব্যবহার বেড়েছে ২১ গুণ
সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের নিয়ম না জানায় দুর্ঘটনা ঘটছে

তরিকুল ইসলাম সুমন: গৃহস্থালিতে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের পরিবর্তে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) জনপ্রিয় করার উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি সচিব আবু হেনা মোহাম্মদ রহমাতুল মুমিন।

তিনি বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশে এলপি গ্যাসের ব্যবহার বেড়েছে ২১ গুণের বেশি। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি ব্যবহার হচ্ছে। ২০০৯ সালে এলপিজির ব্যবহার ছিল মাত্র ৪৭ হাজার মেট্রিক টন। এছাড়া পরিবেশবান্ধব এই গ্যাস সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে দুর্ঘটনাও হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে রহমাতুল মুমিন এ কথা বলেন।

জ্বালানি সচিব বলেন, এলপি গ্যাস ব্যবহারের পাশাপাশি এ নিয়ে দুর্ঘটনা বেড়ে গেছে। সিলিন্ডারে উচ্চচাপে এলপি গ্যাস ভর্তি করার কারণে বিস্ফোরণ হয় না। আর প্রকৃতপক্ষে সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে এলপিজি ভর্তিও করা হয় না। এলপিজি ভর্তিজনিত কারণে কোনো সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয় না। প্রকৃত কারণ হচ্ছে সিলিন্ডার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানা। অসতর্কতা এবং সঠিক পরিবেশে সিলিন্ডার ব্যবহার না করা। সেই সঙ্গে সিলিন্ডারের গুণগতমান যাচাই না করা। তাই ব্যবহারকারী, উৎপাদনকারী ও বিপণনকারীকে সিলিন্ডার ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। তবেই দুর্ঘটনা কমে যাবে।

রহমতুল মুমিন আরো বলেন, বাংলাদেশে এলপি গ্যাসের চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টন। এজন্য ৬০টি কোম্পানিকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো অপারেশনে আসলে এলপি গ্যাসের মাধ্যমে অন্যদিকে জ্বালানি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বর্তমানে ১৭টি কোম্পানি এলপি গ্যাস গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করছে।

তিনি আরো বলেন, সিএনজি গাড়ির জন্য অ্যাপ্রুভ জ্বালানি নয়। আমরা জোর করে চালাচ্ছি। এর চেয়ে এলপিজি অনেক ভালো। বিশ্বের কোনো কোম্পানি সিএনজি উপযোগি ইঞ্জিন তৈরি করে না। আমরা ছোট কিড তৈরি করে সিএনজি ব্যবহার করছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত