প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুলনা-৪ আসনে নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

শরীফা খাতুন শিউলী, খুলনা প্রতিনিধি : অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ এখন নেই। একদিকে শাসক দলের প্রার্থীর নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি ছাড়া করা হচ্ছে। এরসাথে যোগ হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অত্যাচার জুলুম নির্যাতন। এই অবস্থায় কোনভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে খুলনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল এক সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের উপর যতই জুলুম নির্যাতন করা হোক না কেনো, আমরা নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে যাব না।
হেলাল অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা হামলা চালাচ্ছে। পিটিয়ে ও কুপিয়ে যখম করা হয়েছে তেরখাদা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, নন্দনপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ নাসির, আনন্দনগর বাজারে ছাত্রদল কর্মী আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, মাসুদ, শফিককে।

হেলাল বলেন, গত ১১ ডিসেম্বর রাতে আমার উপরেই হামলা চালানো হয়। ওই দিন রাতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সেনহাটি থেকে তেরখাদার মোকামপুরে বাজারে যাওয়ার পথে সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ইউপি চেয়ারম্যান মহাসীনের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, যুবদল নেতা আজিজুল ইসলামসহ ৭/৮ জন আহত হন।

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘণ করছেন এমন অভিযোগ করে হেলাল বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই শাসক দলীয় প্রার্থী (বর্তমান সংসদ সদস্য) মহিলা সমাবেশ ডেকে কম্বল বিতরণ করছেন। ভিজিডি কার্ড, বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতার প্রলোভোন দিচ্ছেন, যা আচরণবিধি পরিপন্থি।
গায়েবী মামলায় নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, গত ১৫ আগষ্টের পর থেকে এ পর্যন্ত রূপসা থানায় ৪ টি, তেরখাদায় ২ টি ও দিঘলিয়ায় একটি গায়েবী মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় তিনশতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে। যা নির্বাচন প্রস্তুতির কাজে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, নির্বাচন কমিশন স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হলেও সরকারের ইচ্ছা পূরণে নিয়োজিত রয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, রূপসা থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত