প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘চিটিং মাস্টার’

আরটিভি অনলাইন : জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিতে নতুন ধারাবাহিক নাটক প্রচার হতে যাচ্ছে। নাম ‘চিটিং মাস্টার’।  প্রতি বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাত ১০টায় নাটকটি প্রচার হবে।

নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সঞ্জিত সরকার। ‘চিটিং মাস্টার’ নাটকে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, ফারহানা মিলি, আ খ ম হাসান, নাদিয়া খানম, আরফান আহমেদ, প্রাণ রায়, এ্যানি খান, ফারুক আহমেদ, ডা. এজাজুল ইসলাম, মনিরা আক্তার মিঠু, আব্দুল্লা রানা, শামীমা তুষ্টি, তারেক স্বপন, তেরেসা চৈতি, মিলন ভট্ট, সাদিয়া রুবায়েত, অলিউল হক রুমি, আমিন আজাদ, শফিক খান দিলু, পারভেজ আক্তার, বিনয় ভদ্র, আল আমিন সবুজ, নাফিজা জাহানসহ অনেকে।

গল্পে দেখা যাবে, পুরান ঢাকার সম্ভ্রান্ত পরিবারে একজন মোবারক আলী। তিনি বেশ টাকা পয়সার মালিক। তার উত্তরায় ছয়তলা একটা বাড়ি আছে। পুরো পরিবার নিয়ে তিনি পুরান ঢাকা থেকে উত্তরার বাড়িতে এসে উঠে। মোবারকের দুই মেয়ে। সোনিয়া এবং জিনিয়া। সোনিয়ার সাথে মোবারকের আড়তের ম্যানেজার শাহাজাদার সম্পর্ক হয়। সেই সম্পর্ক জানাজানি হলে মোবারক শাহাজাদাকে ম্যানেজার পদ থেকে বরখাস্ত করে। এমনকি শাহাজাদাকে জেল পর্যন্ত খাটতে হয়।

আর এ কারণে পরিবারের মধ্যে বিরাট অশান্তি। ছোট মেয়ে কষ্ট করে ম্যাট্রিক পাশ করেছে। দুইবার আইএ পরীক্ষা দিয়েছে কিন্তু ফেল করেছে। এটা কোনও সমস্যা নয়। সমস্যা অন্যখানে। ঘটনার ভেতরের ঘটনা থাকে। মোবারক আলী আরাফাত মাতব্বরের আরতের ম্যানেজার ছিল। কোনও এক দুর্ঘটনায় আরাফাত মাতব্বর ও তার স্ত্রী মারা যান। বেঁচে থাকে শুধু একমাত্র পুত্র শাহাজাদা।

শাহাজাদা পুরান ঢাকায় মানুষ না হয়ে দেশের অন্য এলাকায় বড় হয়। অনেকে ধারণা করে আরাফাত মাতব্বারের মৃত্যুর সাথে মোবারক আলীর হাত আছে। মোবারক আলীর ডান হাত হিসাবে কাজ করে জুলফিকার। সে এক রহস্যময় মানুষ। সে ভালো না মন্দ সেইটা বোঝা মুশকিল।

এদিকে মোবারক আলীর বাড়িতে তিনজন ব্যাচেলর ভাড়া থাকে। রহিম, বাবুল ও বাদশাহ । রহিম ও বাবুল নকল বউ দেখিয়ে বাড়ি ভাড়া নেয়। রহিমের সাথে প্রেম হয় বাড়ির ভাড়াটিয়ার মেয়ে বন্যার সাথে কিন্তু সেখানেও টানাপোড়েন। এ বাড়িতে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন ভাড়া থাকে। ছয়তলার ভাড়াটিয়ারা সবাই ব্যাচেলর। এই কারণে তাদের অন্য কারও বাসায় যাওয়া পুরোপুরি নিষেধ এমনকি ছাঁদে যাওয়াও বারণ আছে। বাদশাহ তার কোনও কিছু প্রয়োজন হলেই বাড়িওয়ালার ঘরে চলে যায়।

সেখানে জিনিয়ার সাথে বাদশাহর দেখা হয়। প্রথমে বাদশাহকে জিনিয়া সহ্য করতে পারে না। অন্যদিকে এই বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়ারা ছয়তলায় ব্যাচেলর ভাড়া দেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। বাদশাহ বেশ বুদ্ধিমান ছেলে। সে তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বাড়িওয়ালা মোবারক আলীকে বারবার বিপদে ফেলে আবার নিজেই সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করে। বিভিন্নভাবে তাকে বোকা বানায়। এইভাবে একসময় মোবারক বাদশাহর ভক্ত হয়ে যায়।

বারবার বাদশাহ মোবারকের বাসায় যায় এবং জিনিয়ার সাথে কথা বলে। ধীরে ধীরে দু’জনার মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে। সখ্যতা থেকে একপর্যায়ে প্রেম হয়। একজন ভাড়াটিয়া বাড়ি ভাড়া নেওয়া থেকে শুরু করে বাড়িওয়ালার মেয়ের বিয়ে পর্যন্ত নানা ধরনের মজার ঘটনা ঘটতে থাকে। শাহাজাদা একং বাদশাহ সোনিয়া ও জিনিয়াকে বিয়ে করতে বিভিন্ন ধরনের ছলচাতুরির আশ্রয় নেয়। এমন পারিবারিক ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘চিটিং মাস্টার’।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত