প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কুমিল্লায় বিএনপির অর্ধশতাধিক কর্মী আহত
‘ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে মাথা নষ্ট হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের’

মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা: কুমিল্লা সদর আসনে গত ১০ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর ব্যাপক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় অন্তত অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। এছাড়াও আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হামলায় বাড়িঘর দোকানপাট লুট করাসহ অব্যাহত হুমকি ধমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন সদর আসনের বিএনপির প্রার্থী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, এভাবে কি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে। আমরা প্রতিটি হামলার ঘটনা প্রশাসনকে অবহিত করছি। তাদেরকে ঘটনার স্থান ও আহত নেতাকর্মীদের ছবি প্রশাসনকে সরবরাহ করেছি। আমরা এখনো নির্বাচন কমিশনের বিধি মোতাবেক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। আর এসব প্রচারণায় সরকার দলীয় লোকজন একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। আসলে ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে মাথা নষ্ট হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীদের। আর এ কারণেই এমন হামলা ও পুলিশী হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

বুধবার সকালে সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব চৌধুরির উপর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক জহিরুল হক রিন্টু ও নগরীর ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদুর রহমান মাসুদ, যুবলীগ নেতা শাওন এর নেতৃত্বে ২০/২৫ মিলে উপর্যুপরি লাঠি দিয়ে আঘাত করে টেনে হেচড়ে মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। মূলত আজকের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হাজী ইয়াছিন তার বাসভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সামনে এমন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব চৌধুরীর উপর হামলায় সময় ঘটনা বর্ণনা করে কান্নারত অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রিন্টু, কাউন্সিলর মাসুদের নেতৃত্বে এমন হামলা চালানো হয়। আমি দশ বছর ধরে কাউন্সিলর মাসুদের এলাকায় শিক্ষকতা করেছি। অথচ তারা বিনা অপরাধে আমাকে আমার স্বামীকে বেধড়ক পিটিয়েছে। একজন শিক্ষক হিসেবেও তারা আমাকে কোন মূল্যায়ন করেনি।

সংবাদ সম্মেলনে হাজী ইয়াছিন বলেন, গত তিনদিনে সদর আসনের বিভিন্ন স্থানে মিছিল সভা সমাবেশে আওয়ামী ক্যাডারদের হামলায় আহত নেতাকর্মীদের ছবি দেখিয়ে বলেন, এগুলো কি মানুষের কাজ। তিনি আরো বলেন, আহত নেতাকর্মীদের তিন চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরাতো এমন কুমিল্লা চাইনি।

হাজী ইয়াছিন বলেন, আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা শান্তিপ্রিয়। তাই দাঙ্গা হাঙ্গামা পছন্দ করি না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে হাজী ইয়াছিন বলেন,আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনকে কুমিলার মানুষদেরকে অবহিত করতে চাই আমরা নির্বাচিত হলে, স্বজনপ্রীতি, পরিবারতন্ত্র,দুর্নীতিমুক্ত শান্তি সমৃদ্ধশালী কুমিল্লা গড়ে তুলবো। সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত