Skip to main content

বদলে যাবে কামরাঙ্গিচর, লালবাগসহ ঢাকার চার এলাকা

শাকিল আহমেদ : নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় “ঢাকা নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রকল্প” হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পে মোট ব্যায় ধরা হয়েছে ৮শ ৮০ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরকে চারটি ভাগে ভাগ করে উন্নয়নের পরিকল্পনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এলাকাগুলো হলো কামরাঙ্গিচর, লালবাগ, পুরান ঢাকা এবং খিলগাও বাসাবো। আগামী ২০২২ সাল নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।\\ ব্যস্ত নগরী ঢাকায় কোথাও যেন দম ফেলার জায়গা নেই। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে রাজধানীতে দিন দিন তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন সমস্যা। যার প্রভাব পড়ছে নাগরীক জীবনে। তাই নাগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য ঢাকার চারটি এলাকা চিহ্নিত করে ঢাকা নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রজেক্ট নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।\ \ কামরাঙ্গিচর, লালবাগ, পুরান ঢাকা এবং খিলগাও বাসাবো এলাকার বর্তমান নাগরীক সুবিধা অত্যান্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় এসব এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট ভাঙ্গাচোরা, বর্জ্য ফেলার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। এছাড়া এসব এলাকায় নেই পর্যাপ্ত পার্ক ও খেলার মাঠ। যেগুলো আছে সেগুলোও প্রায় ব্যবহার অযোগ্য। ফলে এসব এলাকার বাসিন্দাদের অবসর সময় কাটানো এবং বাচ্চাদের খেলাধুলাসহ মেধাবিকাশের জন্য তেমন কোন স্থান নেই। তাই এসব এলাকা নিয়ে ভিন্ন ভাবে পরিকল্পনা করছে ডিএসসিসি।\ \ এবিষয়ে ডিএসসিসির নির্বাহী প্রকৌশলি রাজিব খাদেম বলেন, এসব এলাকার বর্তমান অবস্থা আমরা সার্ভে করে দেখেছি। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় এখানে বড় কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। এছাড়া এখানে নতুন কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য জায়গারও সংকট রয়েছে। তাই এখানে বর্তমানে যে অবস্থা রয়েছে তার উপরেই আমাদের কাজ করতে হবে। যেমন ডিএসসিসি এলাকাতে যেসব নদী , পুকুর বা ঝীল রয়েছে সেগুলোর উন্নয়ন করে দুইপাশে বাধাই করে দেয়া হবে। এবং দুই পাশে বিভিন্ন গাছ লাগানো হবে যাতে করে অবসরে মানুষ এখানে এসে পরিবার পরিজন নিয়ে বসতে পারে একটু সময় কাটাতে পারে। এলাকার যেসব রাস্তাঘাট ভাঙ্গাচোরা ও ব্যবহার অযোগ্য রয়েছে সেগুলো ঠিক করা হবে। এবং নতুন রাস্তা তৈরী করা হবে। এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় এসব এলাকায় কিছু পাবলিক টয়লেট, কমিউনিটি সেন্টার কাম মাল্টিপারপাস বিল্ডিং নির্মান করা হবে যার উপরে জিমনেশিয়ান বা লাইব্রেরী থাকবে। ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এসটিএস নির্মান করার পরিকল্পনা রয়েছে।\ \ এবিষয়ে প্রকল্পের পরিচালক ও ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব এলাকার নাগরীক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকার চিত্র বদলে যাবে। সম্পাদনা: সোহেল রহমান