Skip to main content

নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাসে আসবে ৫টি এলএনজি জাহাজ

শাহীন চৌধুরী: তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে কাতার থেকে আরো একটি মাদার ভ্যাসেল (বড় জাহাজ) বাংলাদেশে এসে পৌছেছে। গত সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী উপকূলে জাহাজটি পৌঁছে জাহাজটিতে এক লাখ ৪০ হাজার ঘনমিটার এলএনজি রয়েছে। এটি দেশে আসা এলএনজিবাহী অষ্টম জাহাজ।\\ রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র জানিয়েছে দেশের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে এখন থেকে মাসে ৫টি করে এলএনজি জাহাজ আমদানি করা হবে। যদিও আমদানি করা এলএনজি দিয়ে প্রাথমিক ভাবে চট্টগ্রাম এবং ঢাকার গ্যাসের চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মহেশখালী দ্বীপে স্থাপিত এলএনজি টার্মিনালের মজুদ ক্ষমতা বাড়লে এবং এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি পেলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সরবরাহ করা হবে এই গ্যাস।\ \ পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি সেল) রফিকুল ইসলাম বলেন, নতুন করে আসা এই চালান খালাসের পর আমদানি করা এলএনজি ঢাকায় সরবরাহ করা হবে। মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে পাঁচটি মাদার ভ্যাসেলে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতি মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি এলএনজি জাহাজ আসছে।\ \ প্রসঙ্গত, এক লাখ ৩৬ হাজার ঘনমিটার তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে এলএনজিবাহী প্রথম বিশেষায়িত জাহাজ গত ২৩ মার্চ মহেশখালীর মাতারবাড়ী উপকূলে নোঙর করে। এটিই ছিল বাংলাদেশে আসা প্রথম এলএনজিবাহী জাহাজ। যদিও পাইপলাইন জটিলতার কারনে এলএনজি সরবরাহ করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যায়। একবার পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়ায় বেশ কয়েক দিন এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি জাহাজ এলএনজি খালাস করেছে। এখন স্বল্পমাত্রায় জাতীয় গ্রীডেও সরবরাহ করা হচ্ছে। খুব শিগঘিরই জাতীয় গ্রীডে পূর্ণ মাত্রায় এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে।\ \ জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গ্যাস সংকট নিরসনে এলএনজি কোন স্থায়ী সমাধান নয়। এজন্য আমাদের অনসর এবং অপসর ব্লকগুলোতে ব্যাপক ভাবে গ্যাসের অনুসন্ধান চালাতে হবে। এ ব্যাপারে কোন অবস্থাতেই বিলম্ব করা উচিৎ নয় বলে তারা মন্তব্য করেছেন।