Skip to main content

বিশ বছর পর অভিনয়ে ‘আম্মাজান’ খ্যাত অভিনেত্রী শবনম

মহিব আল হাসান : ঢাকাই চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট অভিনেত্রী শবনম। সর্বশেষ কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। ‘আম্মাজান’ সিনেমা দিয়ে সারাবাংলা কাঁপিয়েছিলেন কিংবদন্তী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শবনম। এরপর বিগত বিশ বছরে তাকে আর নতুন কোনো সিনেমা বা নাটকে অভিনয় করতে দেখা যায়নি। তবে বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও শেষ পর্যন্ত গল্প, চরিত্র তার মনকে খুব বেশি টানেনি বলে সেসব সিনেমাতে অভিনয় করেননি তিনি। তারপর কেটে যাচ্ছে প্রায় দুই দশক। আর সিনেমায় দেখে মিলেনি তার।\\ নতুন খবর হলো আবারও অভিনয়ে ফিরলেন এই অভিনেত্রী। তবে সিনেমা নয়। তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল পাকিস্তান থেকে একটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব পেয়েছেন। চলতি বছরই বেশ কয়েকমাস টানা পাকিস্তানে এই ধারাবাহিকের শুটিংও করে এসেছেন তিনি। সেখানে অসংখ্য চলচ্চিত্রে কাজ করে তিনি অর্জন করেছেন খ্যাতি ও সম্মান। সেখানে বেশ কয়েক পর্বের শুটিং শেষে গেল মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি ঢাকায় ফিরেছেন। আলী তাহেরের নির্দেশনায় ফাসেহ বারী খানের রচনায় এই ধারাবাহিকের নাম ‘মোহিনী ম্যানসন কী সিনড্রেলা’। ধারাবাহিকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে শবনমই অভিনয় করছেন। এরইমধ্যে গেল ৩রা ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানের একটি প্রাইভেট চ্যানেলে এর প্রচারও শুরু হয়েছে।\ \ শবনম জানান ‘মোহিনী ম্যানসন কী সিনড্রেলা’ টিভি চ্যানেলে প্রচারের পর ইউটিউবেও দেখা যাচ্ছে। চার দশকেরও বেশি সময় আগে পাকিস্তানের নন্দিত নায়ক নাদিমের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে ‘আয়না’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন শবনম। নজরুল ইসলাম নির্দেশিত এটি পাকিস্তানের সেরা ব্যবসা সফল সিনেমা। এই সিনেমায় অভিনয় করে শবনম ‘নিগার অ্যাওয়ার্ড’ও পেয়েছিলেন। এই সিনেমাই নতুন করে নির্মাণ করবেন আলী নূর। যার নাম হবে ‘আয়না-টু’।\ \ প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালে বাংলা চলচ্চিত্র ‘হারানো দিন’র মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন শবনম। ১৯৬২ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’ ছবির মাধ্যমে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান। এ দুটি ছবিই তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকা থেকে মুক্তি পেয়েছিল।