প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘নির্বাচনী ব্যয় তদন্তে অপারগ কমিশন’

সৌরভ নূর : নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী একজন প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে সে খরচ দাঁড়ায় আরো অনেক বেশি। বাংলাদেশে নির্বাচন বরাবরই ব্যয়বহুল একথা স্বীকার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও। এনিয়ে নির্বাচন কমিশনও কখনো পাল্টা প্রশ্ন করে না। কারণ, একজন প্রার্থী আসলে কতো টাকা খরচ করছেন সেটি তদন্ত করার সামর্থ্য কমিশনের নেই বলে জানিয়েছে কমিশনের কর্মকর্তারা। বিবিসি বাংলা

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনে সাধারণত দুই ধরনের খরচ হয় একটি প্রকাশ্য এবং অপরটি গোপনে। মনোনয়নপ্রাপ্তির পর নির্বাচনী প্রচারণার জন্য প্রার্থীকে যেমন টাকা খরচ করতে হয়, তেমনি অভিযোগ রয়েছে অনেক প্রার্থী মনোনয়ন পাবার জন্য বড় অংকের টাকাও খরচ করেন।

রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের আয়-ব্যয় নিয়ে বিশ্লেষণ করে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক বা সুজন। প্রতিষ্ঠানটির সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার এপ্রসঙ্গে বিবিসিকে জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকাশ্য আয় ব্যয়ের বাইরেও অনেক লেনদেন থাকে। আমার মনে হয় না রাজনৈতিক দলের অর্থায়ন ব্যাপারে কোনো রকম স্বচ্ছতা আছে। এটা অদৃশ্যভাবে ঘটে।

তিনি আরও বলেছেন, এখানে টাকার খেলা হয় বিভিন্নভাবে । মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমেও টাকার খেলা হয়, ভোট কেনার মাধ্যমে টাকার খেলা হয়।

ভোটের মাঠে ব্যয় প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, আমাদের দলের প্রার্থীরা সাধারণত নিজের অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনে লড়েন। আর টাকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে, একটি হলো দলের নেতা-কর্মীদের চাঁদা। আরেকটি নির্বাচনী মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি। এছাড়া কেউ যদি ডোনেট করে।

অন্যদিকে অাওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ দাবি করেন, দলীয় কর্মীদের দেয়া চাঁদা ও অনুদানের উপর ভিত্তি করে দলের ফান্ড পরিচালিত হয়। এছাড়া আর্থিকভাবে দুর্বল দলীয় প্রার্থীদের দল থেকে সহায়তা করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত