প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিউইয়র্ক শেয়ারবাজারে দরপতন, ৪ দিনের লেনদেনে ১ লাখ কোটি ডলার উধাও

রাশিদ রিয়াজ : মার্কিন শেয়ারবাজারে ডিসেম্বরের শুরুতে লেনদেন মোটেই সুখকর ছিল না। তা না হলে ৪ দিনের লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের ১ লাখ কোটি ডলার খোয়া যায়। রীতিমত উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে নিউইয়র্ক শেয়ারবাজারের গত সপ্তাহের লেনদেন শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন যে বাণিজ্য চাপ আরো বাড়াবে তা বোঝাই যাচ্ছে। একদিকে বাজার মন্দা অন্যদিকে বাণিজ্য যুদ্ধ যা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। ব্লুমবার্গ

সপ্তাহের শেষ দিন লেনদেনে নিউইয়র্ক শেয়ারবাজারে সূচকের পতন ঘটে ৫’শ পয়েন্ট। শীর্ষ কোম্পানিগুলোর শেয়ার পতন ছিল লক্ষ্যনীয়। ডো জোন্স শিল্প সূচক গড়ে হ্রাস পায় ৫৫৯ পয়েন্ট। এসএন্ডপি ৫০০ পতন ঘটে ৬০ পয়েন্টে। সেপ্টেম্বরে এনএন্ডপি সূচক চাঙ্গা হওয়ার পর ১০ শতাংশ বাজার হারাল। অথচ নভেম্বরে ১ লাখ ৫৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান হয়, বেকারত্বের হার কমে দাঁড়ায় ৩.৭ শতাংশে। এতে আশান্বিত হয়ে অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, কর্মসংস্থানের আরো সুযোগ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। কিন্তু এ আশায় গুড়ে বালি দিয়েছে মার্কিন শেয়ারবাজার। আর্জেন্টিনায় সদ্য সমাপ্ত জি-২০ সম্মেলনে বিশ^নেতারা যে আশার বাণী শুনিয়েছিলেন বাণিজ্য যুদ্ধের বিপরীতে শেয়ার বাজারের লেনদেন সে পথ মাড়িয়ে গেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে শেয়ার বাজারের এ পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভ সুদের উচ্চ হার হ্রাসে ধীরে হলেও উদ্যোগ নিতে পারে।

এর পাশাপাশি চীনের মোবাইল ও প্রযুক্তি কোম্পানি হুয়াইয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা ও ভাইস চেয়ারম্যান মেং ওয়াংঝুকে কানাডায় আটকের ঘটনা শেয়ার বাজারের ওপর মিশ্র বরং নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নিউইয়র্ক শেয়ার বাজারে রাসেল ৩০০০’এর পতন ঘটে ৪.৯ শতাংশের। এ্যাপেলের ৫.৪ শতাংশ শেয়ার পতানে পুঁজি লাপাত্তা হয়েছে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের। আমাজনের ৩ শতাংশ শেয়ার পতনে ২৪ বিলিয়ন ডলার পুঁজি খোঁয়া গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে মার্কিন শেয়ার বাজার বিশ্লেষকরা বলতে শুরু করেছেন বাজারে সংশোধন চলছে। দুই/চার সপ্তাহ ধরে যেসব কোম্পানির শেয়ার যত বেশে ভাল ব্যবসা করেছে পতন ঘটেছে সেসব কোম্পানির শেয়ারই বেশি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত