Skip to main content

পশু ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে ৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

রাশিদ রিয়াজ : বিশ^ব্যাংক দেশের পশু ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে ৫’শ মিলিয়ন ঋণ অনুমোদন দিয়েছে। পশু সম্পদ উন্নয়নে এ ঋণ ব্যয় হবে ‘দি লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট’ আওতায়। নাগরিকদের ডিম, মাংস, দুধের অব্যাহত চাহিদা যোগান দিতেই এধরনের ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ৩০ বছরে শূণ্য হার সুদে নেয়া এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং এতে রয়েছে ৫ বছরের গ্রেস সময় সীমা। ইউএনবি বিশ^ব্যাংক বলছে এ প্রকল্পের আওতায় দেশের কৃষি উৎপাদন ও বাজার উন্নয়নে অন্তত কুড়ি লাখ ক্ষুদ্র গৃহখামারি উপকৃত হবে। বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালে বিশ^ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি কিমিয়াও ফ্যান বলেছেন, পশু ও দুগ্ধ খাতে এ ঋণ উদ্যোক্তাদের উৎপাদনে যোগান বাড়াতে সাহায্য করবে। এধরনের ঋণ এ খাতে নারী ও তরুণদের গ্রামীণ পর্যায়ে ভাল কাজের সন্ধান দেবে। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির ১৪ শতাংশ পশু খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিন্তু ৭০ শতাংশ পল্লীগৃহে কোনো না কোনোভাবে দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে দেশে ৬৮ ভাগ কৃষি শ্রমিক নারী এবং তাদের সিংহভাগ দুগ্ধজাত পণ্য ও পলট্রি শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে বাংলাদেশে গবাধিপশু ও দুধ, মাংস, ডিম ও মুরগির ঘাটতি বাড়ছে। ২০২১ সাল নাগাদ এ ঘাটতি দাঁড়াবে ডিমে দেড়শ কোটি, শূন্য দশমিক ৫ মিলিয়ন মাংসে ও দুধে ৫.৯ মিলিয়ন টন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুধের আমদানি খরচ দাঁড়ায় ২৪৮.৮ মিলিয়ন ডলারে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে গর্ভবতী নারী ও মায়েরা পুষ্টির অভাবে রয়েছে।