প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুরুত্বপূর্ণ অনেকে ফিরলেন

আমাদের সময় : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক ইতিপূর্বে বাতিল হয়ে যাওয়া মনোনয়নপত্র নিয়ে যে সব প্রার্থী আপিল করেছিলেন, গতকাল শনিবার তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো সে সব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ৩১০ থেকে ৫৪৩ নম্বর পর্যন্ত মোট ২৩৪টি আপিলের শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল।

গতরাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৯০টি আপিলের শুনানি সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে আপিল মঞ্জুর হয়েছে ৫৮ প্রার্থীর। তারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সব মিলিয়ে তিনদিনে বৈধতা পেয়েছে দুই শতাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র।

গতকাল ঢাকা-৯ আসনে আফরোজা আব্বাস, ঢাকা-১৭ আসনে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, ঢাকা-৩ আসনে গণফোরামের
মোস্তফা মোহসীন মন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি। এছাড়া জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ বেশ কয়েকজনের প্রার্থিতা বাতিলের জন্য অন্য প্রার্থীদের করা আপিল নামঞ্জুর হওয়ায় তারাও বৈধতা পেয়েছেন।

অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ও বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের আপিল খারিজ হয়ে যাওয়ায় তারা প্রার্থী হতে পারছেন না। গতকাল দুপুরের আগেই খালেদা জিয়ার তিনটি আপিলের শুনানি একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।

বিকাল ৫টায় ফের শুনানি হবে জানিয়ে তা স্থগিত রাখে কমিশন। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ফের খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত তার আপিলগুলো খারিজ হয়ে যায়।

গত বৃহস্পতি ও শুক্রবারের শুনানিতে যথাক্রমে ৮০ ও ৭৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির ৬০ জন, আওয়ামী লীগের ২ জন, গনফোরামের ২ জন, এলডিপির ৩ জন, জাকের পার্টির ১২ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৮ জন, জাসদের ৪ জন, জেএসডির ২ জন, সিপিবির ৫ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ৪ জন, এনপিপির ৪ জন, বিএনএফের ২ জন, খেলাফত মজলিসের ২ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের একজন, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের ৩ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ১ জন ও মুসলিম লীগের ২ জন।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইসিতে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৬৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৫৬৭ জন, অবশিষ্ট ৪৯৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচনে ২৯৫ আসনে বিএনপির ৬৯৬ জন, ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই করে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন ২ ডিসেম্বর। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১ জন ও আওয়ামী লীগের ৩ জন রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে ৫৪৩ জন কমিশনে আপিল করেন।

তৃতীয় দিনে যাদের মনোনয়নপত্র বৈধতা পেয়েছে- জামালপুর ৩-এ নঈম জাহাঙ্গীর, নেত্রকোনা ১-এ আব্দুল কাইয়ুম খান, ময়মনসিংহ ৬-এ চৌধুরী মুহাম্মাদ ইসহাক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২-এ শাহ মফিজ, ব্রাম্মণবাড়িয়া ২-এ মহিউদ্দিন মোল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩-এ সৈয়দ মাহমুদুল হক, চট্টগ্রাম ৯-এ মোরশেদ সিদ্দিকী, চাঁদপুর ৪-এ জেড খান মো. রিয়াজ উদ্দিন, খাগড়াছড়ির নতুন কুমার চাকমা, চট্টগ্রাম ৫-এ নাসির উদ্দিন, বান্দরবানের একটি আসনে মামাচিং, চট্টগ্রাম ৮-এ এম মোরশেদ খান, রাজশাহী ৫ -এ মো. আবু বকর সিদ্দিকী ও নাদিম মোস্তফা, রাজশাহী ৬-এ আবু সাঈদ চাঁদ, জয়পুরহাট ১-এ আলেয়া বেগম, সিরাজগঞ্জ ৫-এ মো. আলী আলম, রাজশাহী ১-এ মুজিবুর রহমান, যশোর ৫-এ ইবাদুল খালেসী, কুষ্টিয়া৪-এ মো. তছির উদ্দিন, যশোর-১ আসনের মো. সাজেদুর রহমান, যশোর-৪ লিটন মোল্লা, যশোর-৫ রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনান স্বপন, ঢাকা-১৭ শওকত আজিজ, ঢাকা-১৯ মো. কফিল উদ্দিন, লক্ষীপুর-২ রহুল আমিন ভূঞা, চট্টগ্রাম-৫ আসনে মাসুদুল আলম বাবলু, ব্রাম্মণবাড়িয়া-৬ আসনের এ কে এম জাবির, চট্রগ্রাম-১৩ নারায়ণ রক্ষিত, কুমিল্লা-৩ মো. আকবর আমিন বাবুল, ব্রাম্মণবাড়িয়া-৫ আসনের কাজী নাজমুল হোসেন, যশোর-৪ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, যশোর-৫ আসনের নিজাম উদ্দিন অমিত, যশোর-৩ আসনের সৈয়দ বিপ্লব আজাদ, যশোর-২ আসনের এম আছাদুজ্জামান ও ফিরোজ শাহ, হবিগঞ্জ-৪ আনছারুল হক, সিলেট-১ আনোয়ার উদ্দিন বোরহান, সিলেট-৫ মো. নুরুল আমিন, নীলফামারী-১ এ আহম্মেদ বাবের বিল্লাহ (মুন), নীলফামারী-৩ আব্দুল ওয়াহেদ, রংপুর-৪ বেলাল হোসেন, ঢাকা-১৭ আসনের নাজমুল হুদা, রাজশাহী- ৩ মেরাজ উদ্দিন মোল্লা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত