প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০০ আসনে জয় নিশ্চিতে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগ

সমীরণ রায় : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৩০ ডিসেম্বর। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মাঠ এখন গরম। রাজনৈতিক দলগুলো যার যার অবস্থান থেকে দৌঁড়ঝাঁপে ব্যস্ত। ইতোমধ্যে ক্ষমতায় যেতে সরকারি ও বিরোধী দল বৃহত্তর স্বার্থে জোট গড়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও মহাজোট এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ পূনঃরায় ক্ষমতায় যেতে মরিয়া। ফলে ২০০ আসনে জয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনী মাঠে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে দলটি। এ তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে সরকারি, বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে জরিপ করেছে। ওই জরিপে উঠে এসেছে দলটির নির্বাচনী মাঠে অবস্থান। এসব জরিপে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মাঠে অবস্থান খুব ভালো নয় বলে উঠে এসেছে। ফলে ক্ষমতাসীন দলটি জয় ধরে রাখতে ইতোমধ্যে সরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে আকার ইঙ্গিতে নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্র মনিটরিংয়ের জন্য সেল গঠন করা হয়েছে। ওই সেল নির্বাচনী কেন্দ্রে যাতে বিরোধী দল কোনো ধরণের জোর জবরদস্তি করতে না পারে সে ব্যাপারে শতর্ক থাকবে। পাশাপশি আওয়ামী লীগসহ সহযোগি ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা শতর্ক দৃষ্টি রাখবে। সেক্ষেত্রে দলের নেতাকর্মীরা তাদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করবে। এছাড়াও ইতোমধ্যে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরপরেও যারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে রাজি হননি। তাদের উদ্দেশ্যে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা খোলা চিঠি দিয়েছেন। অর্থাৎ যে কোনো কিছুর বিনিময়ে অন্তত ২০০ আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মনে করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অস্তিত্বের লড়াইয়ের। এ নির্বাচন সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, জঙ্গিবাদ, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের বিরুদ্ধে। ফলে কোনোভাবেই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা নির্বাচনী মাঠে থাকতে চেয়েছেন, তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজের অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলকে ক্ষমতায় রাখতে মহাজোটকে বিজয়ী করতে সবাইকে সর্বাত্মকভাবে নামতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মনোনয়ন দিতে পারিনি, তাই আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ২৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে ৭জন প্রত্যাহার করেছে। দু’একদিনের মধ্য বাকিরা প্রত্যাহার করবেন। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন সম্ভব হবে। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ঐক্যবন্ধ থাকলে নৌকাকে পরাজিত করার সাংগঠনিক শক্তি কারো নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ