প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচন শেষ হতেই অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হবে : নাঈমুল ইসলাম খান

মারুফুল আলম : দৈনিক আমাদের নতুন সময় এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচনের পরে অদ্ভুত একটি পরিস্থিতি তৈরি হবে। এখন বিরোধীদল হিসেবে বিএনপি যে রকম অভিযোগ তুলছে, দেখা যাবে আওয়ামী লীগও অভিযোগ তুলবে। এখনো আওয়ামী লীগ চাইলে এমন অভিযোগ করতে পারে যে, নির্বাচন কমিশনে বিএনপির লোকজন আছে। নির্বাচন কমিশনের বহু সিদ্ধান্ত দেখানো যায়, যা বিএনপির পক্ষে গেছে। ভোটগ্রহণ শেষে বিএনপির নেতারা যেখানে যেখানে জয়ী হবে দেখা যাবে আওয়ামী লীগ ব্যালট-স্টাফিং এর অভিযোগ করবে। হয়তো প্রমাণও দেখাবে। এরকম বিএনপিও করতে পারে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। শনিবার ‘সময় টিভি’র টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উভয় দলের পক্ষ থেকে নানারকম অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের প্রকৃত পরিবর্তন বা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ইতোমধ্যে দেশে এ বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা-সমালোচনা, প্রস্তাব, নানারকম স্বপ্ন রচিত হয়েছে এবং নির্বাচনের পরেও নির্বাচন সুষ্ঠু হলো কি না প্রশ্ন উঠবে। সব মিলিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হবে না, বরং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আগামী দিনের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ রচিত হবে।

তিনি আরো বলেন, সব ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপিকে পিছিয়ে আছে মনে করার কোনো অবকাশ নেই। বিএনপির নেতাদের প্রার্থীতা বাতিল হতে পারে এটা বিএনপির আগেই আশংকা ছিলো, তাই তারা তিনগুণ ক্যান্ডিডেট বেশি দিয়েছিলো। আজ পর্যন্ত সমান তালেই অগ্রসর হয়েছে উভয় দল। যেভাবে চলছে একটি জিনিস নিশ্চিত যে, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ হয়ে গেছে। বাকি থাকলো মানুষের অংশগ্রহণ। এতোদিনের বিএনপির কৌশলগুলো পর্যালোচনা করলে এক্ষেত্রেও বিএনপিকে অত্যন্ত কৌশলী দেখা যাবে বলেই মনে হয়। নির্বাচনী ইশতেহারের ক্ষেত্রেও বড় দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে। কার ইশতেহার কতটুকু জনপ্রিয় করে তোলা যায় সেই চেষ্টা চলছে। সবকিছুই প্রমান করছে পরস্পরের মধ্যে প্রচ- প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং এ প্রতিযোগিতা বেশ জমে উঠেছে।

বিএনপির বাতিল হওয়া প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে ফখরুল ইসলাম ও রিজভীর দুধরনের বক্তব্যকে তিনি রাজনৈতিক প্রচার উল্লেখ করে বলেন, একজন নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করছেন, আরেকজন বলেছেন আওয়ামী লীগের চাওয়া অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এসব রাজনৈতিক কৌশল, ক্যাম্পেইনেরও অংশ। কৌশলে বিনে পয়সায় বিজ্ঞাপন করে যাচ্ছে তারা। সরকারি টিভিতে তাদের আসা না হলেও প্রাইভেট টিভিতে অধিক হারে অংশগ্রহণ করেন এবং রিজভী সাহেব তো প্রতিদিন একাধিক ব্রিফিং করেন। আবার দেখা যায় সামান্য এদিক-সেদিকও করেন। সবকিছুই তাদের কৌশল ও ক্যাম্পেইনের অংশ।

‘দাবিপূরণ ছাড়া বিএনপির ভোটে আসা ছিলো অপ্রত্যাশিত- হাউস অব কমন্স এর প্রতিবদেন’ শীর্ষক প্রথম আলোর ভুল খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর একটি আবশ্যিক দায়িত্ব হওয়া দরকার তাদের একিউরিসির ব্যাপারে।পত্রিকায় প্রকাশিত ভুল-রিপোর্ট সংশোধন করার জন্য আমাদের মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি মিলিত প্রচেষ্টা থাকা উচিত যে, আমরা যেন এগুলো দ্রুত সংশোধন করি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ