Skip to main content

‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে প্রার্থীতা ফিরে পাবেন খালেদা জিয়া’

শিমুল মাহমুদ : আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে প্রার্থীতা ফিরে পাবেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না জানিয়ে তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে বেগম জিয়াকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেয়ার জন্যই তাঁকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসাররা আইন বহির্ভূতভাবে, অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপার্সনের তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন। রিজভী বলেন, তিনটি আসনে বেগম জিয়ার পক্ষে আপিল করা হয়েছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে দেশনেত্রী প্রার্থিতা ফিরে পাবেন। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, বেগম জিয়ার প্রতি ন্যায় বিচার করুন। ইসি সংবিধান ও আইন অনুসরণ করলে এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্ত নিলে খালেদা জিয়া অবশ্যই প্রার্থীতা ফিরে পাবেন। খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন হলে তা হবে একটি বিশাল প্রহসন। বিএনপির এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সারা দেশে গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলার হিড়িকে নেতাকর্মীদের জীবন বিপন্ন ও বিপর্যস্ত। কোন মামলা ছাড়াই অনেককে গ্রেফতার করা হচ্ছে। নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। তাদেরকে এলাকাছাড়া করা হচ্ছে, ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। গুম-খুন-অপহরণ করা হচ্ছে। এর দায় নিতে হবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাকে। কেননা জনপ্রশাসন ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম নিয়মিত নির্বাচন কমিশনে যান এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, আগামী রোববার রাতে এইচ টি ইমামের বাসায় ইসি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের ডাকা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালক কমিটির কো চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন বলে রোববার রাত ৮ টায়, ১ নম্বর হেয়ার রোডস্থ বাসভবনে- এ জন্যে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এ বার্তা পাঠিয়েছেন। মতবিনিমরের নামে মূলতঃ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়েছেন এইচটি ইমাম। এমনিতে ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে নির্বাচন কমিশন কঠোর বিধিমালা জারি করেছে। তাতেও আশ্বস্ত না হতে পেরে এখন গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণরুপে নিয়ন্ত্রণ করতে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে৷